
শেষ আপডেট: 15 February 2023 14:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর: ইটভাটায় (brick field) কাজ করতেন যুবক। কিন্তু বহুদিন ধরেই প্রাপ্য টাকা পাচ্ছিলেন না। সেই জন্য মালিকের (Owner) কাছে বকেয়া টাকা দাবি করেন তিনি। এরপরেই ঘটল অঘটন। ধাক্কা দিয়ে ওই কর্মীকে (worker) ভাটার আগুনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল সেই মালিকের বিরুদ্ধে। এই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর (East Midnapore) জেলার ময়না থানার দুবরাজপুর এলাকায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইটভাটার সেই শ্রমিক।
জানা গেছে, কয়েকমাস আগে দুবরাজপুরের একটি ইটভাটায় কাজ করতে গিয়েছিলেন হলদিয়ার কুকড়াহাটি অঞ্চলের মতিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা শুভঙ্কর কোটাল (২৩)। অভিযোগ, তিন মাস সেখানে কাজ করার পরেও টাকা দিচ্ছিল না ভাটার মালিক। টাকা চাইলে নানারকম অছিলায় দেরি করছিল। পরে আবার টাকা চাইলে নানাভাবে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে মালিকের বিরুদ্ধে। শেষমেশ বড়সড় বচসা হয় গত ১৩ তারিখ রাতে। অভিযোগ, এরপরেই শুভঙ্করকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয় ভাটার চুল্লিতে। চিৎকার শুনে ভাটার অন্যান্য কর্মরত শ্রমিকরা ছুটে আসে সেখানে। তড়িঘড়ি যুবককে উদ্ধার করে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, শুভঙ্করের দেহের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি। এদিকে ঘটনার পর তাঁর পরিবার ভাটার মালিক গোপাল বর্মন এবং রাম হাজরার বিরুদ্ধে ময়না থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ সেই অভিযোগ নেয়নি বলেই জানা গেছে।
যদিও ময়না থানার ওসি বলেছেন, "আমরা কেস ফাইল করেছি। তবে ভাটায় কাজ করতে গিয়ে উনুন ভেঙে আগুনে পড়ে গেছে, নাকি আগুনে ফেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে। প্রাথমিকভাবে পুলিশকে ভাটার মালিক জানিয়েছে কাজ করতে গিয়ে ভেঙে পড়ে গেছে আগুনে।
কিশোরের অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে জলপাইগুড়ির হোমে পৌঁছল সিবিআই