
শেষ আপডেট: 24 February 2019 14:55
ওই জনসভা আটকাতেই তৃণমূলেরই লোকেরা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। কৃষ্ণ দাসের দাবি, এমনকী গাড়িভর্তি যে লোকেরা জনসভায় আসছিলেন, তাদেরও আটকে দেওয়া হয়েছে মাঝপথে। এ জন্য নাম না করে রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়কে কাঠগড়ায় তুললেন তিনি। সভাপতি কৃষ্ণ দাসকেও পাল্টা কটাক্ষ করেছেন বিধায়ক খগেশ্বর রায়।
শনিবারের এই জনসভায় কৃষ্ণ দাস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনাব ওহিদা রহমান, মোশারফ হোসেন-সহ বহু তৃণমূল নেতা। কৃষ্ণ দাস জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে নাম না করে বিধায়ককে নিশানা করে বলেন, "আজকের সভায় আসতে তৃণমূলের হয়ে অনেকেই বাধা দিয়েছেন। তৃণমূল কর্মীদের বলা হয়েছে এটা আবার কোন সংগঠন। এর জন্য আমি এটাই বলব, যে যাদের কোনো বুদ্ধি নেই তারাই বুদ্ধি দিচ্ছে। এতে দলের সর্বনাশ ডেকে আনছেন তাঁরা।"
গত বিধানসভা প্রসঙ্গে কৃষ্ণ দাস জানান, রাজগঞ্জ ব্লকের বারোটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে সব থেকে বেশি লিড দিয়েছেন তিনিই। শুধু তাঁর গ্রাম পঞ্চায়েতেই তিন হাজার ভোট লিড দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "রাজগঞ্জ ব্লকের বেশির ভাগ গ্রাম পঞ্চায়েতে কোনও উন্নয়ন হয়নি।" সেই সঙ্গে এ-ও জানান, উন্নয়ন করার জন্য সঠিক মানুষ চাই।
শনিবারের জনসভা ময়দান ছিল ফাঁকা। তাতেও অবশ্য দমে না গিয়ে তিনি বলেন, "আজ ১০০ লোক হয়েছে, পরে এই সভাতেই হাজার হাজার লোক হবে।"
তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা জনসভা বানচাল করার অভিযোগের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। তিনি বলেন, "আমরা প্রথমে কংগ্রেস ছিলাম। পরে তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূলই করি। আমি উত্তরবঙ্গের প্রথম তৃণমুল বিধায়ক। তবে গত কালের কৃষ্ণ বাবুর সভায় আমি আমন্ত্রিত ছিলাম না। সভায় আসতে কাউকে বাধা দেওয়ার খবর আমার কাছে নেই।"
রাজগঞ্জে কোনও উন্নয়ন হয়নি-- এই অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তবে দলে এখন অনেক কেএলও বা মাওবাদী এসেছে। তারা যদি চোখে উন্নয়ন না দেখতে পায়, তবে আমার কিছু বলার নেই।"