
শেষ আপডেট: 21 February 2022 05:30
শিল্পের মধ্যে দিয়েই এক শিল্পী আরেক শিল্পীকে সম্মান জানাতে পারেন, এমনটাই মনে করেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত সুবীর পাল। তাঁর শিল্পেই মিশে রয়েছে শ্রদ্ধা, ভালবাসা। প্রতিটি সূক্ষ্ম কাজে তাঁর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ই শিল্পীদের প্রতি তাঁর প্রণাম নিবেদন। সুবীরবাবু বলছেন, কিছুদিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন লতা মঙ্গেশকর। তারপর গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ভারতের সর্ব সেরা সঙ্গীত পরিচালক সুরকার তথা শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ি চলে গেলেন। সত্তর-আশি-নব্বইয়ের দশক কাঁপিয়েছেন এই শিল্পীরা। সঙ্গীতজগতে একে একে নক্ষত্রপতন হচ্ছে। বাংলা শুধু নয় গোটা দেশের সাংস্কৃতিক জগতে এ এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলার দুই কিংবদন্তীকে সম্মান জানাতেই তাই তড়ঘড়ি ছেনি-হাতুড়ি নিয়ে কাজে নেমে পড়েছিলেন মৃৎশিল্পী।
এত কম দিনের মধ্যে নিখুঁত আবক্ষ মূর্তি তৈরি হয়ে গেল? সুবীরবাবু বললেন, "ইচ্ছা ও শ্রদ্ধা থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। ছোট থেকে এঁদের গান শুনে বড় হয়েছি। নিজের শিল্পীসত্তার মধ্য দিয়ে যদি তাঁদের কিছুটা সম্মান জানাতে পারি সেই উদ্দেশ্যেই আবক্ষ মূর্তি তৈরি করেছি। "
মূর্তি গড়ায় কৃষ্ণনগরের সুবীর পালকে একডাকে চেনেন সবাই। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাওয়া এই শিল্পীর সম্মান রয়েছে বাংলাদেশেও। তাঁর তৈরি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি রাখা হয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশনে। শিল্পী বলছেন, লতাজীর সঙ্গে দেখা হলেও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও বাপ্পি লাহিড়ির সঙ্গে দেখা হয়নি কখনও। সেই আক্ষেপ থেকেই যাবে। তাই মূর্তি গড়েই তাঁদের অন্তরের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'