দশমীতে বেলডাঙায় নৌকাডুবিতে মৃতদের পরিবারকে ব্যক্তিগত সাহায্য শুভেন্দু অধিকারীর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দশমীর সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌকাডুবিতে মৃত্যু ৫ জনের। মৃত সুখেন্দু দে, পিকন পাল, অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়, সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও নিপন হাজরার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিক
শেষ আপডেট: 7 November 2020 05:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দশমীর সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌকাডুবিতে মৃত্যু ৫ জনের। মৃত সুখেন্দু দে, পিকন পাল, অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়, সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও নিপন হাজরার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
প্রাক্তন সাংসদ হিসাবে তাঁর প্রাপ্ত পেনশন থেকে শুক্রবার মৃতদের পরিবারের হাতে ১০ লক্ষ টাকা তুলে দেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বহু বছরের প্রথা মেনে বেলডাঙা হাট ঐতিহ্যবাহী হাজরাবাড়ি এলাকায় প্রতিমা নিরঞ্জন হয় ডুমনি নদীতে। এবার করোনা আবহে সেই জাঁকজমক ছিল না। গাইডলাইন মেনে কয়েকজন যুবক নদীর ধারে প্রতিমা নিয়ে উপস্থিত হন।

বিসর্জনের জন্য দুটি নৌকায় করে দেবী প্রতিমা শক্ত করে দড়ি দিয়ে বেঁধে মাঝনদীতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানে কিছুক্ষণ বাইচ খেলার পর নিয়ম মাফিক আস্তে আস্তে দুটি নৌকাকে আলাদা করে দেওয়া হয়। ফলে আপনাআপনিই প্রতিমা জলে ডুবে যেতে থাকে।
পরিকল্পনার গন্ডগোলে প্রতিমা থাকা নৌকা দুটি আচমকাই একে অন্যের থেকে দূরে সরে যায়। আর সেই সময় হঠাৎই একটি নৌকা বেসামাল হয়ে উল্টে যায়। সব মিলিয়ে জনা পঁচিশ লোক ছিলেন ওই নৌকায়। বেশিরভাগই সাঁতরে পাড়ে চলে আসেন। তবে কয়েকজন নৌকা আর প্রতিমা তলায় চাপা পড়ে ক্রমশ তলিয়ে যেতে থাকেন। তারপর এই পাঁচ জনের দেহ উদ্ধার হয়।
পুজোতে বাংলায় সে ছিল সব থেকে দুর্ঘটনা। মর্মান্তিকও বটে। এর আগে শুভেন্দু মুর্শিদাবাদের পর্যবেক্ষক ছিলেন। কখনও কাশ্মীরে মৃত জলঙ্গির শ্রমিকদের জন্য আবার কখনও সেতু থেকে বাস নদীতে পড়ে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে পরিবহণমন্ত্রীকে। এবার একই ভাবে বেলডাঙায় নৌকাডুবিতে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী।