
শেষ আপডেট: 3 February 2019 11:38
কিন্তু এভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভয় পাওয়ানো যাবে না বলেই হুঁশিয়ারি দেন পূর্ব মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু। তুলে আনেন অতীতের প্রসঙ্গ। বলেন, "সেই '৭০ সাল থেকে এখানে জিতছি। জ্যোতি বসু প্রণম্য নেতা। তাঁকে এনেও পৌরসভার নির্বাচন জিততে পারেনি সিপিএম। '৮৭ সালে রাজীব গান্ধীকে এনেও হালে পানি পায়নি কংগ্রেস। এই মাটি মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, তাম্রলিপ্ত সরকারের মাটি, সংগ্রামের মাটি। আর সেই সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে অধিকারী পরিবার। তাই এসব করে কোনও লাভ নেই।"
দুর্গাপুজোর দশেরাতে খড়্গপুরের রেলমাঠে রাবণ দহণ উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন শুভেন্দু। নিমন্ত্রণ পাননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেই প্রসঙ্গই এ দিন ফের তুলে আনেন পরিবহণ মন্ত্রী। বলেন, "এই জেলায় দিলীপ ঘোষকে তো শনিপুজোর ফিতে কাটতেও ডাকা হয় না। যিনি নিজেই একজন দেউলিয়া রাজনীতিবিদ, তিনি আবার তৃণমূলকে ভয় দেখান। লোকসভা ভোটের গণনার দিন অমিত শাহদের সব হিসেব দেব।"
কাঁথির সভা থেকে সিপিএমের ব্রিগেডের সভাকেও খোঁচা দেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি সব এক হয়েছে। সে জন্যই ১৯ জানুয়ারির ইউনাইটেড ইন্ডিয়া র্যালিতে যাননি সিপিএম নেতৃত্ব। শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, "ব্রিগেড না করে দলের কর্মীদের দিন নজর দিন। নইলে সাইনবোর্ডটাও থাকবে না এ রাজ্যে। ২০০৫, ১০, ১৫'র পৌরসভা ভোটে নিল গেম দিয়েছি। এ বারেও দেব।"