Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

ঝাড়গ্রামে লকডাউন নিয়ে কঠোর পুলিশ, ঝাড়খণ্ড সীমানায় প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুরো রাজ্যে যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে তখন ঝাড়গ্রামের অবস্থা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে। ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে এখানে নতুন করে কোনও আক্রান্তের খবর নেই। এই অবস্থায় শনিবার রাজ্যব্যাপী লকডাউনে কড়া নজরদারি দেখা যায় ঝাড়খ

ঝাড়গ্রামে লকডাউন নিয়ে কঠোর পুলিশ, ঝাড়খণ্ড সীমানায় প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা

শেষ আপডেট: 25 July 2020 13:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুরো রাজ্যে যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে তখন ঝাড়গ্রামের অবস্থা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে। ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে এখানে নতুন করে কোনও আক্রান্তের খবর নেই। এই অবস্থায় শনিবার রাজ্যব্যাপী লকডাউনে কড়া নজরদারি দেখা যায় ঝাড়খণ্ড সীমানা এলাকায়। ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের ধড়সা গ্রাম পঞ্চায়েতের ওড়ো এলাকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের সীমানা। ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে লকডাউন সফল করতে এই সীমানা জুড়ে শনিবার সকাল থেকে চলছে কড়া নজরদারি। মোতায়েন করা হয়েছে জামবনি থানার সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রাম স্বাস্থ্য দফতরের স্বাস্থ্য কর্মীরা। সীমানায় কোনও গাড়ি যাতায়াত করতে গেলে গাড়ির চালককে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। কেন তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন সে ব্যাপারে কৈফিয়ত দিতে হয় পুলিশের কাছে। উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারলে তবেই যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া যায়। তা ছাড়া রাস্তায় স্বাস্থ্যকর্মীরা মোতায়েন ছিলেন। গাড়ির চালক তো বটেই, গাড়ির যাত্রী এবং পথচারী প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা সবুজ সঙ্কেত দিলে তবেই যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। জেলায় ঢোকার ক্ষেত্রেও কঠোর মনোভাব দেখাচ্ছে প্রশাসন। ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই জেলায় ২৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জেলা প্রশাসন চাইছে কোনও ভাবে যেন এখানে করোনা আর নতুন করে না ঢোকে। শনিবারের লকডাউনে জেলার লোকজনকে রাস্তায় বের হতে দেখা যায়নি। ফলে এদিন সকাল থেকে রাস্তাঘাট শুনশান ছিল। দোকানপাটও বন্ধ ছিল। কোথাও বাজার বসেনি। ঝাড়গ্রাম শহরের প্রধান সবজি বাজার এবং মাছের বাজার এদিন বন্ধ ছিল। তবে ওষুধের দোকান খোলা ছিল। শহরের গুরুত্বপূর্ণ জুবিলি মার্কেট বন্ধ ছিল এদিন। কোর্ট রোডের বাজারও বন্ধ ছিল। ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ ঝাড়গ্রাম শহরে ঢোকার মুখে ব্যারিকেড করে দেয়। ঝাড়গ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতেও পুলিশের কড়া নজরদারি ছিল। ঝাড়গ্রাম শহরের পাশাপাশি নয়াগ্রাম, সাঁকরাইল, গোপীবল্লভপুর, বেলিয়াবেড়া, লালগড়, বিনপুর, জামবনি, শিলদা, বেলপাহাড়ি প্রভৃতি এলাকাও এদিন শুনশান ছিল। রাজ্যে করোনা সংক্রমণ শুরু হতেই ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসন তা রুখতে সক্রিয় ছিল। লাগাতার নানা ভাবে প্রচার করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিতে দেখা যায় পুলিশকে। জেলার মানুষও সচেতন হয়ে উঠেছেন।

```