দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক সপ্তাহের মধ্যে ফের মুর্শিদাবাদ সফরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। আবারও সরকারের থেকে হেলিকপ্টার চেয়ে পেলেন না রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। রাজভবনের তরফে বিবৃতি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হল, সিপিএম বিধায়ক আনিসুর রহমানের আমন্ত্রণে বুধবার ভোরবেলা সড়ক পথেই ডোমকলের উদ্দেশে রওনা দেবেন ধনকড়।
ওই বিবৃতিতে রাজভবনের তরফে লেখা হয়েছে, রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক আনিসুর রহমানের আমন্ত্রণেই ডোমকল গার্লস কলেজের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনে যাবেন রাজ্যপাল। ১৯৯১ সালে প্রথম ভোটে জিতে প্রাণীসম্পদ দফতরের মন্ত্রী হয়েছিলেন আনিসুর। ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ২০ বছর ছিলেন ওই মন্ত্রকের দায়িত্বে। এখনও বিধায়ক তিনি।
এর আগে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে হাসপাতালে দেখতে চলে গিয়েছিলেন ধনকড়। মঙ্গলবার রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে দেখতে এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। রাজভবনের বিবৃতিতে আমন্ত্রণকারীর নাম উল্লেখ করায় অনেকেই বলছেন, রাজ্যপাল আসলে বুঝিয়ে দিতে চাইছেন তিনি নির্দিষ্ট কোনও দলের অ্যাজেন্ডাকে বাস্তবায়িত করতে বাংলায় আসেননি। সবাই তাঁর কাছে সমান।
রাজভবনের তরফে বলা হয়েছে যাওয়ার পথে সকাল ন'টায় কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে পৌঁছে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নেবেন রাজ্যপাল। তারপর রওনা দেবেন ডোমকলের দিকে। ফেরার সময়ও রাণাঘাটের একটি সরকারি গেস্ট হাউসে খানিকক্ষণের জন্য রাজ্যপাল থাকবেন। বুধবার রাতেই তাঁর রাজভবনে ফেরার কথা। এদিনও রাজভবনের তরফে বলা হয়েছে, ৫০০ কিলোমিটার পথ একদিনে যাতায়াতের জন্য সরকারের থেকে হেলিকপ্টার চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার জানিয়ে দিয়েছে, হেলিকপ্টার নেই।
গত সপ্তাহেই রাজ্যপাল গিয়েছিলেন ফারাক্কা কলেজের অনুষ্ঠানে। তখনও হেলিকপ্টার চাওয়া হয়েছিল। তখনও সরকার জানিয়েছিল, হেলিকপ্টার পাওয়া যাবে না। সেইসঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছিলেন, “রাজ্যপালের কী কারণে হেলিকপ্টার লাগবে তা আমাদের জানতে হবে। এটা তো মানুষের টাকা!”