দ্য ওয়াল ব্যুরো: রসগোল্লা কার? বাংলার? নাকি ওড়িশার? সেই লড়াইতে কটককে দশ গোল দিয়েছে কলকাতা। ছিনিয়ে নিয়েছে জিআই ট্যাগ। তারপর একে সীতাভোগ, মিহিদানা এবং জয়নগরের মোয়াও জিআই পেয়েছে। এ বার লক্ষ্য ল্যাংচা।
সোমবার পূর্ব বর্ধমানের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এ বার ল্যাংচার জিআই পেতে হবে। বর্ধমানের সীতাভোগ-মিহিদানা অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রতিনিধিকে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, "আমদের ল্যাংচা জিআই পেয়েছে? এ বার ল্যাংচার জিআই-এর জন্য চেষ্টা করতে হবে।"
সীতাভোগ-মিহিদানা অ্যাসোসিয়েশনের ওই প্রতিনিধি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, "দিদি, জিআই ট্যাগ পেলেও আমরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে মার্কেটিং করতে পারছি না। প্রিজার্ভ প্যাকেজিং হচ্ছে না।" এরপর জেলা শাসক মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, "প্যাকেজিং-এর জন্য খড়্গপুর আইআইটি-র বিশেষজ্ঞরা শিগগির আসবেন। তাঁরাই এই প্রশিক্ষণ দেবেন।"
ল্যাংচা হাবের কাজ কেমন চলছে জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। নির্দেশ দেন দ্রুত ওই কাজ শেষ করতে হবে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি দোকান চালু হয়েছে। তবে সমস্যা হচ্ছে ওখানে বাস দাঁড়াচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ওখানে বাসের স্টপেজ করে দাও। ওখানে একবার স্টপেজ হয়ে গেলে দেখবে লোক হাউমাউ করে খাবে।" হাসতে হাসতে বলেন, "আমিও কিন্তু প্রচুর সীতাভোগ খাই।"
তবে এখন তাঁর টার্গেট একটাই। ল্যাংচায় চাই জিআই। তবে তা পেতে গেলে ল্যাংচার উপকরণ নিয়ে এ দিক ও দিক করা যাবে না বলে সতর্ক করে দেন মমতা। বলেন, "ওই আটা, ময়দা, সুজি দিয়ে ল্যাংচা করলে হবে না। ছানা দিয়ে করতে হবে।"