দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওড়ার বালির পিএন ঘোষ রোডে একটি পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘর্ষে চার জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ করেছে পুলিশ।
এই সংঘর্ষের জন্য বিজেপির দিকে তৃণমূল কংগ্রেস আঙুল তুললেও বিজেপির বক্তব্য, দলবল নিয়ে এসে হামলা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির বক্তব্য, একটি পারিবারিক বিবাদে রাজনৈতিক রং লাগাচ্ছে তৃণমূল। আহত চার জনের মধ্যে দুই বিজেপি কর্মীর আঘাত গুরুতর। তাঁদের মধ্যে একজনের মাথায় আঘাত লেগেছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ মোতায়েন করা হয়। সোমবার রাত এগারোটা নাগাদ দু’পক্ষের জনা পঞ্চাশ কর্মী-সমর্থক সামাজিক দূরত্ব না মেনে বালি থানার সামনে এসে বিক্ষোভ শুরু করে। ফের দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বেধে যায় পুলিশের সামনে। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে র্যাফ। আটক করা হয় কুড়ি জনকে যাদের মধ্যে বিজেপি ও তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা রয়েছে। দু’পক্ষই বালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা মদের আসর বসায় এলাকায়। প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের কর্মীর উপরে হামলা চালানো হয়। এলাকার তৃণমূলকর্মী জয়ন্ত সরকার বলেন, “এটা পারিবারিক ঘটনা। এক ভাই বিজেপি করে। সে মদ্যপান করতে গেলে অন্যজন প্রতিবাদ করে। ওরা চাইছে এলাকায় বিজেপির মাধ্যমে সব হবে। অন্য কোনও দল থাকবে না। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করেছে।”
বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, একটি সামান্য পরিবারিক বিবাদে রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে ইচ্ছাকৃত ভাবে দলবল নিয়ে এসে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে বড়সড় আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির বালি মণ্ডলের সভাপতি রাধারঞ্জন গোস্বামী বলেন, “বিজেপি করে বলে আমাদের দু’জন কর্মীর উপরে অত্যাচার করছে তৃণমূল কংগ্রেস। ওখানে আমাদের তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলে লাঠি চালাতে শুরু করে। আমাদের বেধড়ক মারধর করে। পুলিশের সামনেও আমাদের মারধর করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।”
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।