
শেষ আপডেট: 7 May 2020 13:46
মামলাকারীর অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার আইনে কোথাও বলা নেই এই ভাবে প্রশাসক নিয়োগ করা যাবে। তাঁর বক্তব্য, পুরআইন লঙ্ঘন করা হয়েছে এই নির্দেশিকার মধ্যে দিয়ে। যদিও মামলাকারীকে বিজেপির লোক বলে উল্লেখ করেছেন পুরমন্ত্রী তথা বিদায়ী মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর কথায়, "বিজেপি আদালতে থাক। আমরা জনতার দরবারে থাকব।"
রাজ্যের প্রাক্তন পুরমন্ত্রী তথা শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্যও এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর কথায়, "ওই নির্দেশিকায় কলকাতার পুর আইনের ৬৩৪ ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ওই ধারায় বলা হয়েছে ছোটখাটো আইনি জটিলতা কাটাতেই ওই অধিকার ব্যবহার করা যাবে।" সেটা ব্যবহার করে এইরকম কোনও বড় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না বলে দাবি সিপিএম নেতার। ছোটখাটো আইনি জটিলতা মানে? অশোকবাবু উদাহরণ দিয়ে বলেন, জরুরি দরপত্র ডাকার মতো ঘটনায় তা ব্যবহার করা যায়। কিন্তু কখনওই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
অশোকবাবু আরও বলেন, "সরকার কেন অধ্যাদেশ (অর্ডিন্যান্স) জারি করল না তা বুঝলাম না।" আইনজীবীদের অনেকের বক্তব্য, অর্ডিন্যান্স জারি করা মানে ছ'মাসের বেশি ওই প্রশাসক বোর্ডের মেয়াদ থাকবে না। তারপর ভোট করাতেই হবে। তাঁদের অনেকের বক্তব্য, করোনা পরিস্থিতি আদৌ ছ'মাসে স্বাভাবিক হবে কিনা তা বলা মুশকিল। তাই হয়তো সেই ঝুঁকি নিতে চায়নি সরকার। যদিও বিজেপি, সিপিএম-সহ বিরোধীদের বক্তব্য, ভোট এড়াতেই দলের লোকদের প্রশাসক করে ঘুর পথে ক্ষমতা ধরে রাখার কৌশল নিয়েছে তৃণমূল।