দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাত্রী কম হওয়ায় পরিষেবা শুরু করতে না করতেই ক্ষতির মুখে হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমিতি। লকডাউনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে সরকারি নির্দেশে কলকাতা ও শহরতলিতে ১ জুন থেকে ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। কিন্তু প্রথম দু’দিনে যাত্রী সংখ্যা খুবই কম ছিল।
লকডাউনের সময় ফেরি সার্ভিস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও প্রতি মাসে কর্মীদের বেতন বাবদ খরচ হয়েছ প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকা। এরপরে পরিষেবা চালু হলেও যাত্রী হচ্ছে না। ফলে সমস্যা আরও বেড়েছে। যেখানে আগে প্রতিদিন লঞ্চ চললে মাসে প্রায় এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা আয় হত সেখানে নতুন করে লঞ্চ চালুর করার পরে প্রথম দিন টিকিট বিক্রি করে আয় হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ হয়েছে ২০ হাজার ৮৭১ টাকা।
সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আনলক পিরিয়ড চালু হলেও লোকাল ট্রেন পরিষেবা এখনও চালু হয়নি। বাসও সেভাবে চলছে না। ফলে যাত্রী হচ্ছে না। লোকাল ট্রেনেই বেশি আসেন যাত্রীরা। গণপরিবহন ব্যবস্থা পুরো চালু না হলে লঞ্চ চালানো দুষ্কর। তবুও সরকারি নির্দেশে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকারি সহযোগিতা পেলে সুবিধা হয় বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বর্তমানে ছোট লঞ্চগুলি চালানো হচ্ছে এক ঘণ্টা অন্তর। হাওড়া থেকে গোলাবাড়ি হয়ে বাগবাজার, হাওড়া চাঁদপাল, হাওড়া বাবুঘাট, রামকৃষ্ণপুর চাঁদপাল, নাজিরগঞ্জ মেটিয়াবুরুজ এবং গাদিয়ারা নূরপুর রুটে ফেরি পরিষেবা শুরু হয়েছে। চালানো হচ্ছে সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত।
ফেরি পরিষেবা চালু হওয়ায় যাত্রীদের সুবিধা হয়েছে। একথা বলছেন যাত্রীরাই। তবে এত কম সংখ্যক যাত্রী নিয়ে পরিষেবা দিতে হলে সমস্যা যে হবে তা সমিতির দেওয়া হিসাব থেকেই স্পষ্ট।