দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছরের শেষ সকালেই গরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআই বাংলার একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছিল। তারমধ্যে অন্যতম ছিল তৃণমূলের যুব নেতা বিনয় মিশ্রর বাড়ি ও অফিস। সাত ঘণ্টা ম্যারাথন তল্লাশির পর বিনয়কে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি।
সিবিআই সূত্রে খবর, আগামী ৪ জানুয়ারি, সোমবার তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এদিন দক্ষিণ কলকাতায় সিবিআই বিনয় মিশ্রের বাড়ি ও অফিসে হানা দিলেও তাঁর সন্ধান পায়নি। ফলে তাঁর নামে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং অনেক নথি এদিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কয়লা পাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই পুরুলিয়ার ব্যবসায়ী অনুপ মাঝি ওরফে লালাকেও তলব করেছে সিবিআই। কিন্তু হাজিরা দেননি। গরু পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আপাতত জেল হেফাজতে রয়েছেন। সিবিআই মনে করছে, লালা ও এনামুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বিনয়ের। উদ্ধার হওয়া নথি থেকে আরও অনেক প্রভাবশালীর সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।
গত নভেম্বর মাসে আয়কর দফতরের হাত থেকে কয়লা পাচার তদন্তের দায়িত্ব নেয় সিবিআই। তারপর থেকে একের পর এক তল্লাশি অভিযান চলেছে রাজ্যে। পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, কলকাতায় চিরুনি তল্লাশি চালিয়েছেন গোয়েন্দারা।
বৃহস্পতিবারও হুগলির কোন্নগর এবং হাওড়ার সালকিয়ায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। সিবিআই সূত্রে এও বলা হচ্ছে, যে সংগঠিত কায়দায় কয়লা ও গরু পাচার চলত তাতে এটা স্পষ্ট বড় মাথা এর পিছনে রয়েছে। প্রশাসনিক আশ্রয় না থাকলে এই জিনিস সম্ভব নয় বলেও মত গোয়েন্দাদের। হয়তো সেই মাথার সন্ধানেই তদন্ত এগোচ্ছে সিবিআই।