দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার দুপুরেই কলকাতা হাইকোর্ট গরু পাচার কাণ্ডে ব্যবসায়ী এনামুল হককে ছ'দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সন্ধ্যায় জানা গেল কয়লা পাচার কাণ্ডে পুরুলিয়ার ব্যবসায়ী অনুপ মাঝি ওরফে লালাকে নোটিস পাঠিয়ে হাজিরার নির্দেশ দিল সিবিআই।
কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে খবর, নোটিসে বলা হয়েছে আগামী সপ্তাহের শুরুর কাজের দিন তাঁকে হাজিরা দিতে। প্রসঙ্গত, লালার বাড়িতে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার লিখিত নোটিস পাঠাল সিবিআই।
এর আগে লালার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে সিবিআই। উদ্ধার করা হয়েছে অনেক নথিও। কিন্তু একবারও লালার দেখা মেলেনি। সিবিআই সূত্রে খবর, কোল ইন্ডিয়া সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার অফিসারদের সঙ্গে সাঁট করেই এই অবৈধ কারবার চালাত লালা। অনেকের মতে, প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক মদতও ছিল লালার পিছনে।
গত মাসে যখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় এসেছিলেন তখনই সিবিআই কয়লা পাচার কাণ্ডে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন রাজ্যে এসেছেন তখনই সব এজেন্সি নেমে পড়েছে। কী প্ল্যানিং বাপ রে বাপ!"
বাঁকুড়া সফর থেকে ফিরে নিউটাউনের হোটেলের সাংবাদিক সম্মেলনে অমিত শাহ বলেছিলেন, "শুনছি কোন এক লালাজির খোঁজে নাকি সিবিআই তল্লাশি চালাচ্ছে। কয়লা থেকে রাজ্য সরকারও তো রাজস্ব পায়। তাহলে চোর ধরলে মমতাদিদি এত রেগে যাচ্ছেন কেন?"
বিরোধীদের অভিযোগ, লালা থেকে এনামুল এই সমস্ত অবৈধ কারবারের চাঁইদের সঙ্গে বাংলার শাসকদলের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ যোগাযোগ রয়েছে। গরু পাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই এনামুলের নাগাল পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। এখন দেখার লালাকে কবে ছুঁতে পারে সিবিআই।