দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।
বাংলায় আর্থিক বৃদ্ধির ১০.৪ শতাংশে পৌঁছেছে যা জাতীয় গড়ের দ্বিগুণ।
ভারতে শিল্পে বৃদ্ধির হার ২০১৯-২০ সালে বাংলায় শিল্পোৎপাদনে বৃদ্ধির হার ৩.৮ শতাংশ। গোটা দেশের তুলনায় পাঁচ গুণ
বেশি। কোথায় গেল মোদী সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া।
বাংলা প্রথম ক্ষুদ্র শিল্পে, বাংলার প্রথম গ্রামীণ গৃহ নির্মাণে, সংখ্যালঘুদের স্কলারশিপে, বাংলা প্রথম ই-টেন্ডারিংয়ে, বাংলা
প্রথম ইজ অব ডুইং বিজনেসে।
গ্লোবাল বিজনেস সামিটে পাঁচ বছরে বিশাল বিনিয়োগ এসেছে। বড় শিল্পের ক্ষেত্রে ৪.৪৫ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হয়েছে।
সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে ২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জন্য।
১ হাজার ১২০ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায় হয়েছে। এখনও ২৫ হাজারের বেশি এই ধরনের মামলা পড়ে রয়েছে।
৩১ মার্চের মধ্যে আবেদন করলে এককালীন ২৫ শতাংশ দিয়ে ভ্যাট, জিএসটি সংক্রান্ত বিবাদ নিষ্পত্তি করা যাবে।
যারা এই সুযোগ নিতে পারবেন না তারা ১ এপ্রিল থেকে এককালীন ৫০ শতাংশ (ছটি কিস্তিতে) দিয়ে বিবাদ নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
৩১ মার্চ ২০২০-এর মধ্যে মোটর ভেহিকেল আইনে সমস্ত জরিমানা জমা দিলে ৫০ শতাংশ মুকুব করার প্রস্তাব।
চা বাগানগুলিতে কৃষি আয়কর সম্পূর্ণ ছাড়ের প্রস্তাব।
পারিবারিক জমি একত্রিত করার ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ডিউটি ৪.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব।
গত আট বছরে ১২টি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা হয়েছে ৪২টি।
আগামী দু'বছরে রাজ্যে আরও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী অর্থবর্ষে এর জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ।
তপশিলী জাতির প্রবীণদের মাসে ১ হাজার টাকা করে পেনশন। মোট ২১ লক্ষ মানুষ এর সুবিধা পাবেন। প্রকল্পের নাম বন্ধু। বরাদ্দ আড়াই হাজার কোটি টকা।
আদিবাসী ও তপশিলী উপজাতির সমস্ত প্রবীণকে মাসে ১ হাজার টাকা পেনশন। বরাদ্দ ৫০০ কোটি।
বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের প্রস্তাব। আগে পিএফ-এর জন্য ২৫ টাকা শ্রমিকদের দিতে হতো। রাজ্য দিত ৩০টাকা। এখন থেকে পুরো ৫৫ টাকাই রাজ্য সরকার দেবে। দেড়কোটি পরিবার এর সুবিধা পাবে।
ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য বাংলাশ্রী প্রকল্প। ২০১৯-এর ১ এপ্রিল থেকে যে সংস্থা কাজ শুরু করেছে তারাও এর সুবিধা পাবে। আগামী অর্থবর্ষে বরাদ্দ ১০০কোটি টাকা।
কর্মসাথী প্রকল্পের ঘোষণা। এই প্রকল্পে প্রতিবছর ১ লক্ষ বেকার যুবকযুবতীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। এর জন্য ২লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে। আগামী অর্থবর্ষে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ৪৯টি ক্লাস্টার বেড়ে হয়েছে ৫৪৫টি ক্লাস্টার। আগামী তিন বছরে আরও ১০০টি ক্লাস্টার গড়ে তোলা হবে। আগামী অর্থবর্ষে বরাদ্দ ১০০ কোটি টাকা।
চা সুন্দরী প্রকল্প। চা বাগানে কর্মরত গৃহহীনদের জন্য আবাসনের ব্যবস্তাহ করবে।
হাসির আলো প্রকল্প- গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে বিদ্যুৎ। যাঁদের ত্রৈমাসিকে বিদ্যুৎ খরচ ৭৫ ইউনিটের মধ্যে, তাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় পড়বেন। ১৩ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। আগামী অর্থবর্ষে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রশিক্ষণের জন্য তিনটি সেন্টার গড়বে রাজ্য।
৯ লক্ষ ১১ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে ১৯-২০ অর্থবর্ষে। নতুন কর্মসংস্থানের জন্য ২ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ আগামী বর্ষে।