দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন মাস ধরে বেতন না পেয়ে বিক্ষোভ দেখালেন উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া পুরসভার আশা কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, করোনা মহামারীর সময় বাড়ি বাড়ি ঘুরে তাঁরা কর্তব্য করলেও তাঁদের মাস্ক থেকে গ্লাভস – কিছুই দেওয়া হচ্ছে না। স্যানিটাইজার পর্যন্ত তাঁদের দেওয়া হয়নি।
ভাটপাড়া পুর এলাকায় ৩০০ জন আশা কর্মী আছেন। তাঁদের অভিযোগ, বেতন চাইলেই কর্তৃপক্ষ ‘হবে, হবে’ এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা ন্যূনতম সৌজন্য পর্যন্ত দেখাননি। বেতন না পেলে দরকারে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও তাঁরা দিয়েছেন।
ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এঁদের পাঁচ মাসের বেতন বাকি ছিল। আমি দু’মাস আগে পুরপ্রধানের দায়িত্ব পেয়েছি। আমি আসার পরে এই দু’মাসের বেতন মিটিয়ে দিয়েছি। আমি এই পদে আসার আগে যে বকেয়া রয়েছে চেষ্টা করব তা দিয়ে দেওয়ায়। আমি পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে কথা বলেছি। শুধু আশা কর্মীদের টাকা নয়, এই পুরসভার প্রাক্তন কর্মীদের পেনশনের টাকাও বকেয়া রয়েছে। আমি চেষ্টা করব পুজোর আগে যতটা সম্ভব দিয়ে দেওয়ার।”
আশা কর্মীদের বক্তব্য, ৩৬৫ দিন ধরে তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে তাঁদের কর্তব্য পালন করেন। এখন তাঁরা কাজ করছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কিন্তু এরকম বিপদের দিনেও তাঁরা কোনও মাস্ক, সানিটাইজার, গ্লাভস – কিছুই পাচ্ছেন না পুরসভা থেকে।
পুরপ্রধান জানিয়েছেন যে, রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে পুরসভাকে যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার দেওয়া হয়েছিল সে সব বিলি করে দেওয়া হয়েছে যদিও তা চাহিদার তুলনায় অমেক কম। তবে সে সব তাঁরা বিলি করে দিয়েছেন। আরও বেশি পরিমাণে সে সব পেলে ভাল হয়।