দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন দফতরের তৎপরতায় ভেস্তে গেল বন্যপ্রাণী পাচারের ছক। ডুয়ার্সের গয়েরঘাটায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বন দফতরের আধিকারিকরা খাঁচা সমেত তিরিশটি পাখি উদ্ধার করেন।
লকডাউনের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ডুয়ার্সের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রচুর সংখ্যায় পাখি পাচার করার ছক কষেছিল বন্যপ্রাণী পাচারকারীদের দল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে সেই ছক ভেস্তে দিলেন মরাঘাটের রেঞ্জার রাজকুমার পাল ও তাঁর সহকারীরা। অভিযানের ফলে উদ্ধার হয়েছে কুড়িটি হিল ময়না ও দশটি আলেকজান্ড্রায়িন প্যারাকিট।
বুধবার রাতে মরাঘাটের রেঞ্জারের কাছে খবর আসে কয়েক জন যুবক ডুয়ার্সের চা-বাগান সহ বিভিন্ন জঙ্গল থেকে বিভিন্ন ধরনের পাখি ধরে সেগুলি স্থানীয় গয়েরকাটা এলাকার একটি বাড়িতে জমা করেছে। সেখান থেকে পাখিগুলিকে আজ বৃহস্পতিবার আলিপুর দুয়ারের জয়গাঁয় পাচার করা হবে। খবর পেয়ে আজ সকালে টিম নিয়ে হানা দেন মরাঘাট রেঞ্জ অফিসার।
রেঞ্জ অফিসার রাজকুমার পাল বলেন, “গোপন খবরের ভিত্তিতে আমরা গয়েরকাটার সোয়েব আনসারির বাড়িতে অভিযান চালাই। সেই সময় ওই বাড়িতে কেউ ছিল না। বাড়ির পেছন থেকে আমরা খাঁচাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করি কুড়িটি ময়না ও দশটি টিয়া পাখি। আমরা সোয়েব আনসারির খোঁজ চালাচ্ছি। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তার বাড়িতে কারা এই পাখিগুলি নিয়ে এল তার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চোরা বাজারে পাহাড়ি ময়নার দাম তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা এবং আলেকজান্ড্রায়িন প্যারাকিটের দাম চল্লিশ হাজার টাকার কাছাকাছি।