দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবার কাছে থাকত বুথ স্তরের নিখুঁত রিপোর্ট। সংগঠন সম্পর্কে বাবা ছিলেন কপি বুক কমিউনিস্ট। সেই প্রয়াত সিপিএম রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাসের মেয়ে অজন্তা বিশ্বাসকে পার্টি শৃঙ্খলার প্রশ্নে রেয়াত করল না কলকাতা জেলা কমিটি। সম্পাদকমণ্ডলীর প্রস্তাবের চেয়ে বড় শাস্তি পেতে হল রবীন্দ্রভারতীর অধ্যাপিকাকে।
সিপিএমের সদস্য হয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র জাগোবাংলায় কলম ধরায় অজন্তাকে ছমাস সাসপেন্ড করল কলকাতা জেলা কমিটি।
অজন্তা যে এরিয়া কমিটির অন্তর্গত পার্টি সদস্য, তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর জেলা সম্পাদকমণ্ডলী বসেছিল। সেখানে একাংশ অজন্তাকে বহিষ্কার করার সওয়াল করলেও তা গৃহীত হয়নি। সিপিএমের কলকাতা জেলা সম্পাদকমণ্ডলী সিদ্ধান্ত করে তিন মাস সাসপেন্ড করা হবে অজন্তাকে।
শনিবার ২১ অগস্ট জেলা কমিটির সভায় সম্পাদকমণ্ডলীর এই শাস্তি প্রস্তাব পেশ করেন জেলা সম্পাদক কল্লোল মজুমদার। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মত দেয় পার্টির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ছমাস সাসপেন্ড করার। সেটাই চূড়ান্ত হয়।
জাগোবাংলায় বাংলার রাজনীতিতে নারী শক্তির ভূমিকা লিখেছিলেন অজন্তা। সেখানে বাম, কংগ্রেস নেত্রীদের ভূমিকার পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দরাজ প্রশংসা করেছিলেন। মমতাকে জননেত্রী বলেও উল্লেখ করেছিলেন প্রাক্তন এসএফআই নেত্রী। অনেকের মতে, অজন্তার বিরুদ্ধে শাস্তি অনিবার্যই ছিল।
আগামী মাসের গোড়া থেকে সিপিএমের শাখা স্তরের সম্মেলন শুরু। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে নভেম্বরের গোড়ার মধ্যে এরিয়া স্তরের সম্মেলন হবে। অজন্তার ক্ষেত্রে যে শাস্তি দিল সিপিএম তাতে অনিল-কন্যা সম্মেলনেই যেতে পারবেন না।