দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেদিনীপুর কলেজিয়েট মাঠে ‘কৃষক কল্যাণ সমাবেশের’ মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে পাওয়া গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক হাল সম্পর্কে বলতে গিয়ে তুলে আনলেন ‘সিন্ডিকেট রাজের’ প্রসঙ্গ।
চাঁচাছোলা ভাষায় মোদী বলেন, এখন পশ্চিমবঙ্গ সিন্ডিকেটের দখলে। কৃষক পরিশ্রম করে ফসল ফলায়। কিন্তু কত দামে তা বিক্রি করবে, সেটা ঠিক করে দেয় সিন্ডিকেট। কত টাকা তোলা হিসেবে সিন্ডিকেটকে দিতে হবে সেটাও তারা ঠিক করে। যত ধরণের বে-আইনী কাজ তাতে সিন্ডিকেটের জুড়ি মেলা ভার।

সিন্ডিকেট ছাড়া কোনও কাজই সাধারণ মানুষ করতে পারে না। স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রাস্তা, ফ্ল্যাট এমনকী পুজো করতে গেলেও সিন্ডিকেটের অনুমতি লাগে। তাদের প্রসাদ চড়িয়ে তবেই কোনও কাজ করা সম্ভব হয়। বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে কোন দোকান থেকে বালি, সিমেন্ট, পাথর কিনতে হবে, সেটাও ঠিক করে দেয় সিন্ডিকেট।
মোদী আরও বলেন, এখন তো কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রেও শুরু হয়েছে সিন্ডিকেটের জুলুম। টাকা দিয়ে তবেই কলেজে মিলছে অ্যাডমিশন। আসলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই সরকার বাংলায় তাদের জমি ধরে রাখার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন মোদী। এই সিন্ডিকেট বিরোধীদের নির্বিচারে খুন করছে, গরীবদের খুন করছে।
মোদী সরাসরি রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বলেন এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করে বাংলার পবিত্র ভূমিকে কলুষিত করছে শাসকদল। কিন্তু বাংলার মানুষ জাগছে। মেদিনীপুরের বীর ভূমি থেকেই শুরু হবে এই পরিবর্তন বলেই হুঙ্কার দেন প্রধানমন্ত্রী।