
শেষ আপডেট: 21 July 2018 04:59
প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরের একুশে জুলাই থেকেই সিপিএম-এর নাম আর খুব একটা মুখে নেন না। এখন তাঁর মূল প্রতিপক্ষ বিজেপি’ই। ১৯৯৩ সালে যখন প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মী, তখন রাজ্যে ভরা বাম জমানা। মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। এরপর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে প্রতি বছর একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়। সিপিএম-এর বিরুদ্ধে লড়াইকে সংগঠিত করেই রাজনৈতিক উত্থান তাঁর। সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০১১ তে রাইটার্সে আসা। যে রাইটার্স থেকে এক সময় সিপিএম-এর পুলিশই চুলের মুঠি ধরে বের করে দিয়েছিল তাঁকে। কিন্তু এরপর থেকে যত ভোট হয়েছে ততই রক্তক্ষরণ হয়েছে সিপিএম-এর। ২০১৬তে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেও তৃণমূলের জনসমর্থনে আঁচড় কাটতে পারেনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের ক্ষেত্রে সিপিএম প্রাসঙ্গিতা হারিয়েছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখ এখন দিল্লি। তাই নতুন করে সিপিএম’কে প্রাসঙ্গিক করবেন না বলেই সচেতন ভাবেই ‘তৎকালীন’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন মমতা।