দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্ল্যানিং কমিশন তুলে দিয়ে নীতি আয়োগ তৈরির নরেন্দ্র মোদী সরকারের সিদ্ধান্তকে বরাবর সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নীতি আয়োগের বহু বৈঠকে বাংলার কোনও প্রতিনিধিই উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু এদিন মালদহের প্রশাসনিক বৈঠকে গঙ্গাভাঙন নিয়ে রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিলেন, এ ব্যাপারে নীতি আয়োগের সঙ্গে কথা বলতে।
এদিন হরিশচন্দ্রপুর-সহ একাধিক এলাকার বিধায়ক, জেলা পরিষদের সদস্যরা মুখ্যমন্ত্রীকে ভাঙনের সমস্যার কথা জানান। মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে মালদহের জেলাশাসককে দুটি স্কুলের ব্যাপারে ফারাক্কা ব্যারেজ ক্ররতৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেন। বলেন, ওদের জিজ্ঞেস করো ওরা পারবে কি না। না হলে আমরা করে নেব। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, গঙ্গার ভাঙনে স্কুল নদীগর্ভে চলে গেছে বলে ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসহীন থাকবে তা হতে পারে না। জেলাশাসক মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, নতুন করে পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিকল্প পাট্টার বন্দোবস্তও করা হয়েছে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন, ভাঙন আমাদের হাতে নেই। এটা প্রকৃতির ব্যাপার। প্রকৃতিকে প্রকৃতিই আটকাতে পারে। বিকল্প প্ল্যান অফ অ্যাকশন আমাদের তৈরি করতে হবে। ভাঙন হতে পারে এমন এলাকায় যেন বেশি লোক না থাকে। ওখানে যেন কংক্রিটের নির্মাণ না হয়।
তবে মুখ্যমন্ত্রীর নীতি আয়োগের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ নিয়ে বিজেপির এক মুখপাত্র বলেন, বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। দিনের পর দিন নীতি আয়োগের বৈঠক হয়েছে আর কলকাতায় বসে ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলন করে সমালোচনা করেছেন সদ্যপ্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। এখন বুঝতে পারছেন নীতি আয়োগের গুরুত্বটা কী!