
শেষ আপডেট: 9 April 2023 08:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিগত কয়েক দিন ধরেই কুমড়ি আন্দোলনের জেরে স্তব্ধ হয়েছিল বাংলার পশ্চিমাঞ্চল। নবান্নের থেকে চিঠি পাওয়ার পর প্রায় ১২০ ঘণ্টা পরে পুরুলিয়ার কুস্তাউরে উঠল কুড়মিদের অবরোধ। তবে পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলিতে এখনও অবরোধ চলছে। সেখানকার নেতৃত্ব জানাচ্ছেন, তাঁদের কাছে এখনও কোনও নির্দেশিকা আসেনি, তাই অবরোধ চলবে৷
নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে কুড়মি (Kurmi) সমাজের পক্ষ থেকে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাতো। তিনি জানান, প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি রেল বন্ধের জন্য সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাই সকল সমস্যার কথা ভেবেই অবরোধ তুলে (lifted) নেওয়া হচ্ছে। যদিও তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসনের তরফ থেকে সেভাবে কোনও সহযোগিতা পাননি। তবে অবরোধ উঠলেও আন্দোলন (movement) চলবে বলে জানিয়েছে কুড়মিরা।
পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজের রাজ্য নেতা রাজেশ মাহাতো রবিবার জানান, 'মানুষের সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু কুড়মি সমাজের যে দাবি, সেটা তো পূরণ হচ্ছে না। প্রশাসনের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আন্দোলন বন্ধ হবে না। প্রয়োজনে আরও জায়গায় অবরোধ শুরু হবে।'
রেল অবরোধ পাঁচদিন ধরে চলছে, ওদিকে জাতীয় সড়কে অবরোধের জেরে ছ'দিন ধরে ব্যহত যান চলাচল। জাতীয় সড়ক ১০০ ঘন্টারও বেশি অবরুদ্ধ হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন মানুষ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খেমাশুলির রেল স্টেশন এবং জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধের জেরে সমস্যায় পড়ছেন মানুষজনেরা। ট্রাক চালকেরাও সমস্যার সম্মুখীন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন কুড়মি আন্দোলনের নেতৃত্ব। যদিও আলোচনা করে কোনও সমাধান মেলেনি। প্রতিদিনই বহু ট্রেন বাতিল করতে হচ্ছে। যার ফলে সমস্যায় পড়ছিলেন যাত্রীরা। পাশাপাশি রেলের তরফে আবেদন জানানো হয়েছিল, রাজ্য সরকার যাতে জিআরপি এবং রাজ্য পুলিশের মাধ্যমে এই অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করে।
তৃণমূল বিধায়কের বেফাঁস মন্তব্য কুড়মি আন্দোলন নিয়ে, আজও স্তব্ধ পশ্চিমাঞ্চল