
শেষ আপডেট: 20 October 2022 08:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: শ্রীচৈতন্যের দাক্ষিণাত্য ভ্রমণের সঙ্গী ছিলেন গোবিন্দ দাস। তাঁর জন্মভিটে পূর্ব বর্ধমানের কাঞ্চননগরে। তাঁর জন্মভিটের কাছেই পঞ্চরত্ন বিষ্ণুমন্দির। সেখানেই অধিষ্ঠিত হয়েছেন কঙ্কালেশ্বরী কালী (Kankaleshwari kali)। দক্ষিণবঙ্গের প্রাচীন কালী মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম এই মন্দির (kali temple)।
কথিত, ধার্মিক পরিব্রাজক কমলানন্দ দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে দামোদরের তীরে ধোপাদের কাপড় কাচার কাজে ব্যবহৃত পাথর উদ্ধার করেন। সেই পাথরেই খোদাই করা ছিল এই দেবী মূর্তি। এই পাথরের দেবী মূর্তি পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত হয় মন্দিরে। এখানে কালীর যেন একেবারে কঙ্কালসার চেহারা। শরীরের শিরা ধমনী অস্থি স্পষ্ট। কষ্ঠিপাথরে খোদিত কালীমূর্তির এই রূপের জন্যই এর নাম 'কঙ্কালেশ্বরী কালী'।
সে সময় পঞ্চরত্ন মন্দিরে কোনও বিগ্রহ ছিল না। বর্ধমানের মহারাজ বিজয়চাঁদ মহতাবের উদ্যোগে কঙ্কালেশ্বরী কালীর মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয় কাঞ্চননগরের মন্দিরে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানে নিত্যপুজো শুরু হয়। দেবী এখানে অষ্টভুজা। শায়িত শিবের নাভি থেকে উৎপত্তি হয়েছে পদ্মের। সেই পদ্মের ওপর বিরাজমান দেবী। তাঁর চালচিত্রে একটি হাতি রয়েছে। বিশেষ তিথিগুলিতে নিষ্ঠা করে দেবীর পুজো হয় এই মন্দিরে।
কালীপুজোর দিন মন্দিরে বহু ভক্তের সমাগম হয়। রাতে ভোগ খাওয়ানো হয়। বর্তমানে ট্রাস্টি বোর্ড পুজো ও মন্দিরের দেখভাল করে। কালীপুজোর সকালে দেবীকে দেওয়া হয় চিঁড়ে ভোগ। রাতে খিচুড়ি। ভক্তদের মধ্যে বিলি করা হয় সেই ভোগ।
কালীপুজো নিয়ে নয়া নির্দেশিকা রাজ্যের, বির্সজনের দিনক্ষণ বেঁধে দেওয়া হল