
শেষ আপডেট: 5 June 2022 17:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাধ ছিল জামাইষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) দিন হবু শাশুড়ির হাতে পেট পুরে খাবেন। কিন্তু প্রেমিকা জামাইষষ্ঠীর এক মাস আগেই যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। অগত্যা প্রেমের স্বীকৃতির দাবিতে জামাইষষ্ঠীর দিনই প্রেমিকার বাড়িতে ধর্ণায় বসলেন মেখলিগঞ্জের যুবক জয়ন্ত রায়। অনেকবার তাঁকে বারণ করা হয়, এমন করতে। কিন্তু তিনি শোনেননি প্রেমিকার পরিবার বা প্রতিবেশী কারও কথাই। শেষে প্রেমিকার বাড়ি ও প্রতিবেশীদের হাতে মার খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন যুবক।
জানা গেছে, জয়ন্ত রায়ের বাড়ি মেখলিগঞ্জের নিজতরফে। তাঁর প্রেমিকার বাড়ি পাশের গ্রাম পদমতির কুমরতলিতে। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, হঠাৎ করে প্রেমিকা এ সম্পর্ক খারিজ করে দেন। যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এক মাস ধরে।
জয়ন্তর দাবি, এই পরিস্থিতিতে তিনি বাধ্য হয়ে ধর্নায় বসেছেন। তাঁর সঙ্গে কিছু ছবির কোলাজ। প্রেমিকার সঙ্গে তাঁর ছবি। কিন্তু এমন কাণ্ড করার পরে প্রথমে তাঁর প্রেমিকার বাড়ির লোকজন উঠে যাওয়ার অনুরোধ করেন। যুবক গোঁ ধরে থাকেন, প্রেমিকাকে বিয়ে করে তবেই উঠবেন। জানা গেছে, এর পরেই প্রেমিকার বাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশীরা মিলে উত্তম-মধ্যম দেয় যুবককে।
খবর পেয়ে জয়ন্তর পরিচিতরা তাঁরে উদ্ধার করে মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন জয়ন্ত। তাঁর দাবি, প্রেমের সম্পর্কের কথা জানত মেয়ের বাড়ির লোক। যাতায়াতও ছিল। প্রথমে তাঁকে বলা হয়েছিল, যে কোনও চাকরি বা কাজ করলেই বিয়ে দেওয়া হবে। সেই মতো উচ্চমাধ্যমিকের পরে আইটিআই করে বেসরকারি চাকরিতে ঢোকেন তিনি। কিন্তু এখন নাকি মেয়ের বাড়ি থেকে নতুন 'বায়না' ধরা হয়েছে, সরকারি চাকরি ছাড়া বিয়ে দেওয়া হবে না।
জয়ন্ত আরও বলেন, 'আমার সাতটা বছর নষ্ট করে এখন যোগাযোগই বন্ধ করে দিয়েছে। তাই ধর্ণায় বসেছিলাম। এলোপাথাড়ি মারল, খুব কষ্ট হচ্ছে। সুস্থ হলে আবার গিয়ে ধর্নায় বসব।'
অন্যদিকে, এই ঘটনা নিয়ে কোনও কথাই বলতে নারাজ প্রেমিকা ও তাঁর বাড়ির লোকজন। জয়ন্তর বাড়ি থেকে আবার বলা হয়েছে, তাঁদের ছেলে ও পাশের গ্রামের মেয়েটির প্রেমের কথা সকলেই জানে। তারপরেও কেন মারধর করল তা বোঝা যাচ্ছে না। মেয়েটি যেহেতু প্রেম করার সময় প্রেম করেছে, তাই তাঁর বিয়েও করা উচিত বলে দাবি জয়ন্তর পরিবারের।
এখনও জ্বলছে সীতাকুণ্ডের আগুন! একের পর এক ঝলসানো দেহের স্তূপ, মৃত অন্তত ৫০