দ্য ওয়াল ব্যুরো: মমতা একটু নড়তেই তোলপাড় পড়ে গেল দলের ছাত্র সংগঠনে।
কলেজে কলেজে ছাত্র ভর্তি নিয়ে দু’দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বেশ কয়েকটি কলেজ থেকে ধরপাকড় শুরু হলেও একেবারে থামেনি। সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে ডেকে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে। পার্থকে মমতা বুঝিয়ে দেন, ভর্তি দুর্নীতি রুখতে যতটা কঠোর হতে হয় ততটাই হতে হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। আর বিকেলে টিএমসিপি’র রাজ্য সভাপতি জয়া দত্ত মধ্য কলকাতার কলেজগুলির নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল ভবনে।
বৈঠক শেষে জয়া বলেন, তিন দিনে তিন দফায় বৈঠক হবে। সোমবার মধ্য কলকাতার কলেজগুলির পর মঙ্গল এবং বুধবার জয়া বসবেন দক্ষিণ ও উত্তর কলকাতার কলেজগুলির নেতৃত্বদের নিয়ে। সাংবাদিকদের জয়া বলেন, ‘আজকের বৈঠকে আমরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছি, ভর্তি নিয়ে কোনও রকম দুর্নীতি বরদাস্ত হবে না। কেউ যদি ভাবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পতাকা ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করবে তাহলে সে সেটা নিজের দায়িত্বে করবে।’
https://www.youtube.com/watch?v=ovMjI9A9MjQ
প্রসঙ্গত ভর্তি নিয়ে দুর্নীতি সামনে আসতেই তৃণমূলের অন্দরে জল্পনা তৈরি হয় ছাত্র পরিষদের রাজ্যসভাপতি বদলের। লগ্নজিতা চক্রবর্তী, সার্থক ব্যানার্জী সহ বেশ কয়েকজনের নামও শোনা যায় জয়ার পরিবর্ত হিসেবে। এর মধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে নামলেন জয়া।
বিরোধীদের বক্তব্য এটা শুধু কলকাতায় নয়। সারা রাজ্যে হচ্ছে। কলকাতার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে আইওয়াশ হচ্ছে বলে মত বিরোধীদের। এসএফআই-এর এক নেতা বলেন, ‘জেলায় এই ছবি আরও ভয়াবহ। সেখানে কী হবে? প্রতিবার ভর্তি প্রক্রিয়ার পর শাসক দলের ছাত্র নেতারা বাইক বদল করে। সব ভর্তি থেকে লুটের টাকায়।’ এখন দেখার মুখ্যমন্ত্রীর ধমক এবং জয়ার ময়দানে নামার পর এই পরিস্থিতির বদল হয় কিনা এবং জয়ার পদ বাঁচে কিনা।