
শেষ আপডেট: 29 March 2023 11:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মায়ের হাত ভেঙেছে। ক্যানিং হাসপাতালে (Canning hospital) প্লাস্টার করাতে নিয়ে এসেছিল ছেলে। ডাক্তারবাবু যখন মন দিয়ে ভাঙা হাতে প্লাস্টার করছেন তখন তাঁর দুটি মোবাইল ফোনই সরিয়ে ফেলা হয় (doctor's phone was stolen) বলে অভিযোগ। প্লাস্টার শেষ হতেই বিষয়টি নজরে আসে হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কার্তিক নাসিপুরির। ততক্ষণে বেপাত্তা মা-ছেলে।
দুটি দামি মোবাইল ফোন খুইয়ে তখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ডাক্তারবাবু। কালবিলম্ব না করে ক্যানিং স্টেশনের দিকে ছুটে যান হাসপাতালেরই দুই কর্মী চন্দন বিশ্বাস ও গোপাল মণ্ডল। চন্দনবাবু জানান, স্টেশনে দাঁড়ানো আপ শিয়ালদহ-ক্যানিং লোকালের একটি কামরায় তখন ফোন থেকে সিম খুলছিল চোর। লাফ দিয়ে ট্রেনে ওঠেন তিনি। চেনা মুখ দেখে সঙ্গে সঙ্গে তাদের ধরেও ফেলেন। ততক্ষণে ট্রেনও ছেড়ে দিয়েছে। বেগতিক বুঝে দুষ্কৃতীদের দলে থাকা এক মহিলা চিৎকার করে তাঁদের বিপাকে ফেলারও চেষ্টা করে। কিন্তু ডাক্তারবাবুর ফোন খোয়া গেছে জানাজানি হওয়ায় বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি।
ট্রেনের মধ্যেই শুরু হয় গণধোলাই। পরে মীরা লস্কর, নাজিম শেখ ও সাহিন শেখকে ক্যানিং থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় জনতা। তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তারমধ্যে দুটোই ওই ডাক্তারবাবুর। ডাঃ কার্তিক নাসিপুরি বলেন, “এক রোগীর হাত প্লাস্টার করার সময় পকেট থেকে ফোন টেবিলের উপর রেখেছিলাম। প্লাস্টার করার পর রোগীরা চলে যায়। পরে জানতে পারি আমার ফোন চুরি হয়েছে। চন্দন সাহা ও গোপাল মণ্ডলদের তৎপরতায় তালদি স্টেশনেই মোবাইল ফোন সহ তিন চোর ধরা পড়ে। ফোন পেয়ে ভালো লাগছে। চন্দন, গোপাল ও পুলিশ প্রশাসনকে অনেক ধন্যবাদ।”
প্লাস্টার করার সময় ডাক্তারবাবুর অন্যমনস্কতার সুযোগ নিয়ে এভাবে ফোন নিয়ে পালানোর ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় ক্যানিং হাসপাতাল চত্বরে। দুই কর্মীর তৎপরতায় কোনওমতে উদ্ধার হল সেই ফোন।
এটা ট্রেলর, এরপর দিল্লির বুকে আন্দোলন হবে: শহিদ মিনারে অভিষেক