
শেষ আপডেট: 22 November 2022 18:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসাবে আজ, বুধবার শপথ নেওয়ার কথা সিভি আনন্দ বোসের (CV Anand Bose)। কিন্তু তার আগেই তাঁকে নিয়ে নয়া বিতর্ক তৈরি হয়ে গেল।
কী বিতর্ক? কেন বিতর্ক?
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে গোড়া থেকেই সরব ছিলেন জেপি নাড্ডারা। সেই সময়ে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম (fact finding team) বাংলায় পাঠিয়েছিল বিজেপি (BJP)। অবশ্য তার পোশাকি নাম ছিল অন্য। বলা হয়েছিল, সিভিল সোসাইটি গ্রুপ নামে একটি গোষ্ঠীর সদস্যরা ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা খতিয়ে দেখতে বাংলায় যাবেন। সিকিমের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি প্রমোদ কোহলির নেতৃত্বে সেই দলে ছিলেন সিভি আনন্দ বোসও। ওই কমিটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডির কাছে তাঁদের রিপোর্ট পেশ করেছিল।

শাসকদলের একাংশের অভিযোগ, ওই সিভিল সোসাইটি গ্রুপ আসলে বিজেপি-আরএসএসের একটা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক। বিজেপি এরকম অজস্র থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বানিয়ে রেখেছে। যারা বিজেপি-আরএসএসের অ্যাজেন্ডা নিয়ে কাজ করে। তৃণমূলের এক রাজ্য নেতার কথায়, এর থেকেই পরিষ্কার যে রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা নিয়েই কলকাতায় পাঠানো হচ্ছে হবু রাজ্যপাল আনন্দ বোসকে। তবে তৃণমূল সরকারি ভাবে এখনই এ বিষয়ে কিছু প্রতিক্রিয়া জানাতে চায়নি। বিশেষ করে বুধবার শপথগ্রহণ তথা সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা থাকায় রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনেই চুপ থেকেছে। তবে পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, এখনই প্রতিক্রিয়া হয়তো কেউ জানাবে না। তবে এ ব্যাপারে সংশয় নেই যে প্রথম দিন থেকে নয়া রাজ্যপালের উপর নজর থাকবে। তিনি জগদীপ ধনকড়ের পথেই হাঁটেন কিনা সেই কৌতূহল এতে বাড়ল বইকি।
বাংলায় গত বিশ বছরে সরকার ও রাজভবনের মধ্যে মতান্তর ও বিক্ষিপ্ত সংঘাতের ঘটনা বারবার ঘটেছে। কিন্তু জগদীপ ধনকড়ের মেয়াদে তা নয়া উচ্চতা পায়। বহু বিষয়ে সাংবিধানিকভাবে জগদীপ ধনকড় হয়তো সঠিক প্রশ্নই তুলেছিলেন, কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা নিয়ে কাজ করার সরাসরি অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূলের স্পষ্ট অভিযোগ ছিল যে ধনকড় রাজভবনকে বিজেপির পার্টি অফিসে পরিণত করেছেন। এখন দেখার আনন্দ বোসের ভূমিকা কী হয়। অবশ্য দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনন্দ বোস আগেই জানিয়েছেন যে সংঘাত নিয়ে তিনি বিচলিত নন। গণতন্ত্রে তা হতেই পারে।
মমতা দিল্লির সফরের মাঝেই চাদর চড়াতে যেতে পারেন আজমেঢ় শরিফে