
শেষ আপডেট: 24 January 2023 06:45
আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে মাখামাখি নিয়ে সিপিএমের (CPM) অভ্যন্তরে বিস্তর সমালোচনা হয়েছিল। তারপর ফুরফুরা শরিফের সঙ্গে তেমন সংশ্রব না রাখলেও যোগাযোগ রক্ষা করেই চলছিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। একমাত্র আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqi) যখন পুলিশ হেফাজতে তখন লালবাজারের (Lalbazar) দরজায় ঠকঠক করতে যাচ্ছে সিপিএম।
তবে মহম্মদ সেলিম নন। সিপিএম সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দুপুরে লালবাজারে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেন সুজন চক্রবর্তী। যদিও পুলিশ কমিশনার দেখা করবেন কিনা সে ব্যাপারে লালবাজারের সবুজ সঙ্কেত পায়নি আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।
আইএসএফ প্রসঙ্গে দলের একাংশ সেলিমের সমালোচনায় মুখর ছিলেন ভোটপরবর্তী সময়ে। জেলা সম্মেলনগুলিতেও সে নিয়ে ঝড় উঠেছিল। অনেকের মতে, সে কারণেই হয়তো সেলিম নিজে যাচ্ছেন না।
তাছাড়া নওসাদের জন্য সেলিম গেলে যেমন দুইয়ে দুইয়ে চার করে অনেকেই অন্য মোড়ক দিতে চাইবেন সুজন গেলে তা হবে না। অনেকের মতে, সেসব সাত-সতেরো ভেবেই হয়তো সুজনকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল।
ইতিমধ্যেই রাজ্য সিপিএম নওসাদদের গ্রেফতারির প্রতিবাদ করে বিবৃতি দিয়েছে। বিক্ষোভ করারও ডাক দেওয়া হয়েছিল। যদিও তা সেভাবে দেখা যায়নি। অনেকের মতে লালবাজারে সুজনের মতো নেতাকে পাঠিয়ে আলিমুদ্দিন হয়তো ফুরফুরা শরিফকেও পাশে থাকার বার্তা দিতে চাইছে।
তবে আলিমুদ্দিনের দূত হিসেবে লালবাজারের দুয়ারে সুজন পৌঁছলে পুলিশের কী ভূমিকা হয় সেটাও দেখার।
মুখ্যসচিবকে প্রশ্ন শুভেন্দুর, সরকারি বাংলোয় থেকে আপনি কি বাড়ি ভাড়া বাবদ ভাতাও নেন?