
শেষ আপডেট: 24 March 2022 09:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সকাল সওয়া এগারোটা থেকে প্যান্ডেল খাটিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছিল নিহত তৃণমূল নেতা ভাদু শেখের (Bhadu Sheikh) পরিবারকে। আজই ভাদুর পারলৌকিক কাজ ছিল। স্নান, ক্রিয়াকর্ম সেরে সেই প্যান্ডেলে হত্যে দিয়ে বসেছিলেন ভাদুর স্ত্রী, ছেলে-সহ গোটা পরিবার। সেই বাড়ির পঞ্চাশ ফুট দূরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এসেছিলেন। কিন্তু দেখা করলেন না ভাদুর স্ত্রী ও পরিবারের সঙ্গে যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ভাদুর স্ত্রী।
মমতা (Mamata Banerjee) এদিন বগটুইয়ে প্রবেশ করার পরেই শোনা যায় এ উঠোন ও উঠোন থেকে কান্নার রোল উঠেছে। কারও বাড়ির লোক পুড়ে মরেছে তো কারও সন্তান জেলে। এর পর একটি উঠোনে গিয়ে মিনিট পনেরো কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর মাইক্রোফোন নিয়ে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বগটুই ক্ষতিপূরণও ঘোষণা করেন মমতা।
তারপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এখন একটু হাসপাতালে যাব। তাঁর কনভয় রামপুরহাট হাসপাতালের সঙ্গে রওনা দেন।
তখনও ভাদুর (Bhadu Sheikh) পরিবার জানেন না মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। ভাদুর স্ত্রীকে গিয়ে যখন বলা হল, মুখ্যমন্ত্রী আসবেন না। তখনই কান্নায় ভেঙে পড়ে ক্ষুব্ধ ভাদুর স্ত্রী বলেন, 'কেন এল না দিদি? আমরা বসে রইলাম, দিদি এল না? আমরা কার কাছে বলব? আমার স্বামী তো দিদির পার্টিই করত!'
ক্ষোভ জানানোর পরেও যেন সেটা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ভাদুর (Bhadu Sheikh) স্ত্রী। বললেন, 'দিদি নিশ্চয়ই আসবেন। পরে আসবেন হয়তো।'
এর পর সাংবাদিকদের জিজ্ঞেস করলেন, 'কোথায় গেলেন দিদি (Mamata Banerjee)? হাসপাতাল? আমিও যাব। দিদির সঙ্গে দেখা করব। আমার অনাথ ছেলেটার কী হবে।' বলেই হাঁটা লাগালেন রাস্তার দিকে। ততক্ষণে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় গ্রামের পথের ধুলো উড়িয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। পরিবারের বাকিরা আটকে দিলেন ভাদুর স্ত্রীকে।
পরিবারের দাবিতেই সিলমোহর, ময়নাতদন্ত বলছে মারের পর জীবন্ত পুড়িয়ে খুন
গোটা বাংলা থেকে বোমা, অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
তৃণমূল নেতা আনারুলকে গ্রেফতারের নির্দেশ মমতার, ঠিক করে ‘কেস সাজাতে’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী
মানুষ পোড়া গ্রামে যেন মেলা বসেছে, ভিড়ের আশায় বাদাম-দই বেচতে এলেন সওদাগর-নীলু