
শেষ আপডেট: 29 May 2019 18:30
তন্ময় সাঁতরা[/caption]
জয়পুরের ওসি শেষ কুমার বলেন, ২৩ তারিখ বিরামপুরে মারপিটের ঘটনায় অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। বিজেপির জয়পুর-১ মণ্ডল সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, তন্ময় বাবু দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ভোটের ফল বেরোনোর পর তন্ময় বাবু-সহ দলের কর্মীরা গ্রামে দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সে সময় তৃণমূলের লোকেরা তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করে। মাথায় চোট লাগে ও সম্ভবত তার থেকেই এদিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের জয়পুর ব্লক সভাপতি স্বপন কোলে বলেন, “২৩ তারিখ পারিবারিক ঝামেলার কারণে মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। তার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। পুলিশকে আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।” মৃতের দাদা সুধাকর সাঁতরা বলেন, “আমরা ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় মারধরে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি চাই। ২৩ তারিখ সন্ধ্যায় ভাইকে গ্রামের রাস্তায় আটক করে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। প্রথমে জয়পুর ব্লক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।” কিন্তু বাড়ি আসার পরেও মাথার যন্ত্রনা কমছিল না। চোখেও অন্ধকার দেখছিল। বৃহস্পতিবার সকালে মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গেলে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।পরে এ দিন বিকেলে তন্ময়বাবুর মৃত্যু হয়।