
শেষ আপডেট: 4 July 2020 18:30
এবার করোনা রুখতে দীর্ঘসময় লকডাউন চলায় বায়ু দূষণ কমেছে অনেকটাই। জাহাজ-ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকায় কমেছে সমুদ্র দূষণও। সময়ে এসেছে বর্ষা। তাই এবার অন্তত ঘুচবে ইলিশের আকাল এমনটাই মনে করেছিলেন নগেন্দ্রবাজারের মাছ ব্যবসায়ীরা। ১৫ জুন মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা ওঠার পর রীতিমতো আশা নিয়ে ইলিশ আনতে সমুদ্রে গিয়েছিলেন ডায়মন্ডহারবার, নামখানা, পাথরপ্রতিমা ও সাগরের মৎস্যজীবীরা। ১৮-১৯ তারিখ নাগাদ প্রথম লটের কিছু ট্রলার ফিরে এসেছিল বেশ ভাল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে। তাতে আরও আশান্বিত হয়েছিলেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা। কিন্তু আজ দ্বিতীয় দফায় তেমন পরিমাণ ইলিশ না নিয়েই ফিরেছে ট্রলারগুলি।
জানা গেছে খারাপ আবহাওয়ার কারণেই ফিরে এসেছে সমস্ত ট্রলার। সোমবারের মধ্যে ফিরবে বাকি ট্রলারগুলিও। যতক্ষণ না আবহাওয়ার উন্নতি হচ্ছে ততক্ষণ আর মাছ ধরতে যাবে না কোনও ট্রলার। কারণ গত বছর খারাপ আবহাওয়ায় বেশ কয়েকটি ট্রলার ডুবে গিয়েছিল সাগরে। মারা গেছিলেন বেশ কয়েকজন মৎস্যজীবী। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। তাই এবার আবহাওয়া খারাপ হতেই ঘরের পথ ধরেছে সমস্ত ট্রলার। তাই আপাতত ইলিশ না মিললেও ধুঁকি নিতে রাজি নন কেউ।
নগেন্দ্রবাজার মৎস্য আড়তের সম্পাদক জগন্নাথ দাস জানান, এবার যে ২০০ টন ইলিশ এসেছে তার সিংহভাগই ৪০০ থেকে ৬০০ গ্রামের। বড় ইলিশ মেলেনি। আবহাওয়ার উন্নতি হলে আবার ইলিশের খোঁজে যাবেন মৎস্যজীবীরা। জগন্নাথবাবু বলেন, ‘‘ যে ইলিশ এসেছে, তা পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি চারশো, পাঁচশো বা ছ’শো টাকায় বিক্রি হয়েছে।’’
সাগরের মোহনায় আরও যে ট্রলারগুলি রয়েছে সব সোমবারের মধ্যে ফিরে আসবে। তারপর আপাতত ইলিশ ধরায় ইতি। ফিসিং বন্ধ হলে ইলিশ মাছের সঙ্গে সঙ্গে ঘাটতি দেখা দেবে অন্য মাছেরও। এমনটাই আশঙ্কা নগেন্দ্রবাজারের মাছ ব্যবসায়ীদের।