
শেষ আপডেট: 17 July 2023 10:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বহুদিন ধরেই বাংলায় কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে আসছেন। পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাসের (Panchayat poll terror) অভিযোগে রাজ্যে সংবিধানের ৩৫৫ ধারা (Article 355) বলবৎ করার দাবি তুলেছেন তিনি। তাতে গলা মিলিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া নেতা শান্তনু ঠাকুরও।
কিন্তু বিজেপির প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতির কথায় স্পষ্ট, শুভেন্দু, শান্তনুর বক্তব্য, নিতান্তই ব্যক্তিগত, দলের কথা নয়। সোমবার সুকান্ত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে ৩৫৫ ধারা প্রয়োগ মোটেই বিজেপির দাবি নয়। তাঁর কথায়, 'আমরা কোথায় ৩৫৫ জারির কথা বললাম।' সম্ভবত ওই দাবি তোলা নেতাদের মুখ রক্ষায় সুকান্ত শেষে যোগ করেন, 'জনগণ হয়তো চাইছেন, এমন ধারা জারি করা হোক।'
কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ঘিরে তিন প্রধান নেতার পৃথক বয়ান নিয়ে রাজনৈতিক মহল তো বটেই, বিজেপির অন্দরেও জোর চর্চা হচ্ছে। তবে এবারই নতুন নয়, আগেও একাধিক ইস্যুতে ভিন্ন বয়ান মিলেছে তিন নেতার মুখ থেকে। আসলে প্রকাশ্যে কেউ কারও বিরুদ্ধে মুখ না খুললেও তিন নেতার দূরত্ব দলে কারও অজানা নয়।
শুভেন্দু যেমন কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ, আইনি লড়াইকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন, সেখানে দিলীপ বরাবরই ময়দানে লড়াইয়ের পক্ষে। রাজ্য বিজেপির নেতাদের মধ্যে দিলীপ বলতে গেলে ব্যতিক্রম। কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দূরের কথা, কথায় কথায় রাজ্যপালের কাছে নালিশ করাতেও ঘোর আপত্তি তাঁর।
শুভেন্দু যখন বর্তমান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে নানা সময়ে সরব হয়েছেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যথেষ্ট সক্রিয় না হওয়ার অভিযোগে, তখন দিলীপ বলেছেন, রাজ্যপাল আমাদের জিতিয়ে দেবেন না। সাংবিধানিক পরিধির বাইরে গিয়ে তিনি সরকারের সঙ্গে লড়াই করবেন, প্রত্যাশা করা ঠিক নয়।
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু ফের ৩৫৫ ধারা প্রয়োগের দাবি তোলেন। ওই ধারা বলে কেন্দ্রীয় সরকার অশান্ত এলাকায় শান্তি ফেরাতে রাজ্যে সেনা, আধা সেনা মোতায়েন করতে পারে। তবে রাজ্য সরকার চাইলে তবেই সেটা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞদের মত।
বুকে ব্যথা, জেলে ফেরার আধঘণ্টার মধ্যে অসুস্থ কালীঘাটের কাকু, নিয়ে যাওয়া হল এসএসকেএম হাসপাতালে