দ্য ওয়াল ব্যুরো : কয়েকদিন আগেই প্রাক্তন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াতের একটি মন্তব্যকে ঘিরে রাজনীতি করার অভিযোগ উঠেছিল। শনিবার নতুন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে ঘোষণা করলেন, সেনাবাহিনী সংবিধানের মূলনীতির প্রতি দায়বদ্ধ। সংবিধানের প্রস্তাবনায় ভারতকে ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র বলা হয়েছে। নারাভানে বলেন, "সেনাবাহিনী সবসময় ভারতের সংবিধান তথা ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের নীতিতে বিশ্বাসী।"
কয়েক সপ্তাহ আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেন, "যাঁরা মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যান, তাঁরা কখনও নেতা নন। যেভাবে বহু মানুষকে আগুন লাগাতে ও ভাঙচুর করতে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে, তাকে নেতৃত্ব দেওয়া বলে না।"
শুক্রবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে জেনারেল নাভারানে বলেন, আগামী দিনে যদি যুদ্ধ বাধে সেজন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত রাখাই আমাদের কাজ। আমরা প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটির ওপরে বেশি জোর দিই। অর্থাৎ পরিমাণের চেয়ে গুণমানই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁর কথায়, "যে মানুষ যন্ত্র চালায়, সেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাইব যাতে আমাদের কর্মীরা সবচেয়ে ভাল প্রশিক্ষণ পায়। তাঁদের চাহিদা ও আশা আকাঙ্ক্ষার দিকেও আমরা নজর রাখব।"
গত ৩১ ডিসেম্বর জেনারেল নাভারানে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নেন। তাঁর আগের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত এখন প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন। জেনারেল নাভারানে আগে ছিলেন ইস্টার্ন কম্যান্ডের প্রধান। চিনের সঙ্গে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত পাহারা দেওয়া ইস্টার্ন কম্যান্ডের কাজ। চিন সীমান্তের কথা উল্লেখ করে জেনারেল নাভারানে বলেন, আমরা যে কোনও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।