দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমফানের সময় সরকারের তরফে বিলি করা ত্রাণের জিনিসপত্র নিয়ে দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। মামলাও দায়ের হয়। সেই মামলার অগ্রগতি নিয়েই এবার খোঁজ নিল হাইকোর্ট।
২০১৯ সালে আমফানের পর সরকারের তরফে বসিরহাট দুনম্বর ব্লকের ঘোরারস কুলিন গ্রামে পাঁচটি ট্রাকে ত্রাণ পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, সেই সব সামগ্রী গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান সামবিল হোসেনের বাড়ির গোডাউনে মজুত করা ছিল। সম্প্রতি মালতীপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে দুটি ট্রাকবোঝাই সামগ্রী গ্রামবাসীরা উদ্ধার করেন। অভিযোগ ওঠে, ত্রাণ সামগ্রী পাচার হয়ে যাচ্ছিল।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ পেয়ে মাটিয়া থানায় স্বতঃপ্রণোদিত এফআইআর নেয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, এফআইআর হলেও সেখানে উপযুক্ত ধারা যোগ করা হয়নি।
আজ, মঙ্গলবার হাইকোর্টের মামলার শুনানি চলাকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল জানতে চান, আমফানের মতো ঘটনায় কীভাবে এই ঘটনা ঘটল! তদন্তের অগ্রগতি কী হয়েছে? ২ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।