দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর : বাড়িতে জমিয়ে ইলিশ খাওয়ার প্ল্যান করে বাজারে গিয়েছেন। কিন্তু সেখানে দাম শুনেই প্রবল ধাক্কা।তখন শুধুমাত্র দর্শন সুখের তৃপ্তি নিয়েই ঘরমুখো। ভরা বর্ষায় এটাই মোটের উপর রাজ্যের ইলিশচিত্র।তবে আজকের দিঘার ছবিটা কিছুটা হলেও আশা জাগানো। সৈকতনগরীর বাজারে মঙ্গলবার কমবেশি ১০০ টন ইলিশ এসেছে বলে জানাচ্ছেন মৎস্যজীবীরা।
ইলিশ ইলিশ করে বাঙালির কাতরতায় সামিল তাঁরাও। তাই রেকর্ড পরিমাণ ইলিশ আসায় খুশি ছুঁয়ে গিয়েছে মৎস্যজীবীদেরও। তাঁরা জানান, পূবালি হাওয়া আর ইলশেগুড়ি বৃষ্টি দুটোর টানেই মোহনায় আসে ইলিশের ঝাঁক। এই অনুকূল আবহাওয়াতেই এ দিন তাই রুপোলি শষ্যে উপচে পড়েছে ট্রলার। প্রায় একশো টন ইলিশ আমদানি হয়েছে এ দিন, যা এ মরসুমে সবথেকে বেশি।
এই বিপুল আমদানির ফলেই এ দিন পাঁচশো থেকে সাতশো গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায়। সাতশো থেকে এক কেজির মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকায়। যা এতদিন কি না ছিল মধ্যবিত্তের ধরাছোঁয়ার বাইরে। আজ সকালে দিঘা ও শংকরপুরের প্রায় তিনশো ট্রলার ও লঞ্চ ইলিশ নিয়ে ফিরেছে। ইলিশ বোঝাই আরও ট্রলার ফিরছে সৈকতের দিকে। ইলিশ বোঝাই এই সমস্ত ট্রলার ফিরলে ইলিশের দাম আরও কমবে বলেই জানাচ্ছেন মৎস্যজীবীরা। শীঘ্রই তা পৌঁছে যাবে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে।
কাজেই, সস্তায় ইলিশ? সেতো দিঘার বাজারে। ইলিশ কিনতে কে আর ছুটবে দিঘা পর্যন্ত ? ভেবে যারা দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন, তাদেরও এ বার ব্যাগ গুছিয়ে কাছের বাজারে ঢুঁ মারার পালা। একেবারে খালি হাতে ফিরতে হবে না, দাবি সৈকতনগরীর মাছ ব্যবসায়ীদের।