বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকে কোনও পাক নাগরিক বা পাক সেনা মারা যায়নি: সুষমা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ নিয়ে তোলপাড়ের শেষ ছিল না কোথাও। নানা মহলের নানা তথ্য বিষয়টিকে আরও জটিল করেছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটের জইশ শিবিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এয়ার স্ট্রাইকে হতাহতের সংখ্যা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে ধন্দ বেড়ে
শেষ আপডেট: 19 April 2019 03:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ নিয়ে তোলপাড়ের শেষ ছিল না কোথাও। নানা মহলের নানা তথ্য বিষয়টিকে আরও জটিল করেছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটের জইশ শিবিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এয়ার স্ট্রাইকে হতাহতের সংখ্যা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে ধন্দ বেড়েছে বই কমেনি। তারই দু'মাস পরে ভারতের বিদেশি মন্ত্রী এবং বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজ বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিলেন, বালাকোটে ভারতীয় বায়ু সেনার বিমান হানায় কোনও পাকিস্তান যোদ্ধা অথবা নাগরিকের মৃত্যু হয়নি৷
১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হানায় ৪৪ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়। সারা দেশে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। এরই পাল্টা জবাব দিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনা জইশ-ই-মহম্মদের প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলা করে৷ এর পরেই দাবি ওঠে, ৩০০ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। বায়ুসেনা অবশ্য জানায়, নিহতের সংখ্যা জানানো তাদের কাজ নয়। যদিও বিজেপি মহলে বারবারই দাবি ওঠে নিহতের ও ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা নিয়ে। এর পরেই বৃহস্পতিবার সুষমা স্বরাজ দাবি করেন, বায়ুসেনার প্রত্যাঘাত ছিল আত্মপ্রতিরক্ষার জন্য৷ কাউকে মারার জন্য নয়।
সুষমা বলেন, ‘‘আন্তর্জাতিক মহলকেই আমরা জানিয়েছি, সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশই দেওয়া ছিল যে আঘাতের সময় যেন তা পাক নাগরিক অথবা কোনও যোদ্ধার কোনও ক্ষতি না করে৷’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সেনাকে বলাই ছিল, তাদের লক্ষ্য হল জইশশ-ই-মহম্মদের শিবির। যারা পুলওয়ামা আঘাতের জন্য দায়ী, শুধু তাদেরই মারার নির্দেশ ছিল। এবং সেনা সেটাই করেছে। কোনও রকম পাক নাগরিক অথবা যোদ্ধার ক্ষতি হয়নি৷’’
সুষমা দাবি করেছেন, এর ফলে আন্তর্জাতিক মহল ভারতকে সমর্থনই করেছে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে সুষমা জানান, মোদী এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে এক জন সফল নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন।
২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হানার প্রসঙ্গ তুলে সুষমা স্বরাজের অভিমত, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ব্যর্থ হয়েছিল অন্য দেশগুলিকে পাশে নিয়ে পাকিস্তানকে একঘরে করতে। মুম্বই হামলায় ১৪টি দেশের ৪০ জন বিদেশির মৃত্যু হয়েছিল৷ তার পরেও তৎকালীন সরকার নড়ে বসেনি। সেখানে মোদীজির এই প্রত্যাঘাতের সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়।