এর আগে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ-সহ সাত রাজ্যে হানা দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 20 September 2025 13:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের রাজ্যে এনআইএ (NIA) হানা। ভোর রাতে বনগাঁয় (Bongaon) এসটিএফের (STF) সঙ্গে যৌথ অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, বনগাঁ পেট্রাপোল থানার অন্তর্গত জয়ন্তীপুরের বাসিন্দা আমির আলি শেখের বাড়িতে হানা দেয় এনআইএ ও এসটিএফ। তিনি পেশায় বিদেশি মুদ্রা বিনিময় ব্যবসায়ী। পেট্রাপোল বন্দরে ব্যবসা করতেন। মানবপাচার মামলার (Human Trafficking) তদন্তে তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।
এর আগে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ-সহ সাত রাজ্যে হানা দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান এবং অসমে এখনও অভিযান চলছে এনআইএ-র। একযোগে মোট ১৫টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।
মানবপাচার মামলায় মাস চারেক আগে দুই বাংলাদেশিকে সশ্রম কারাদণ্ড দেয় এনআইএ-র বিশেষ আদালত। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শাহাবুদ্দিন হোসেন ওরফে মুন্না এবং নুর করিম নামের দুই বাংলাদেশিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। পাশাপাশি দুজনকেই ১১ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। দুজনেই বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা।
এনআইএ-র তদন্তে উঠে আসে, শাহাবুদ্দিন হোসেন এবং নুর করিম দুজনেই অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। এখানেই শেষ নয়, তাঁরা আধার কার্ড, প্যান কার্ড-সহ জাল ভারতীয় পরিচয় পত্র জোগাড় করেছিল। এখানেই শেষ নয়, তারপর জাল সিমও জোগাড় করেছিলেন। ভুয়ো পরিচয় পত্র দিয়ে খুলেছিলেন জাল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও। এই তৃতীয় অভিযুক্ত বাবুর সঙ্গে মিলে রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতে পাচারের চক্রে জড়িত ছিল!
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চার বাংলাদেশী-সহ একজন ভারতীয় দালালকে গ্রেফতার করেছিল নদিয়ার হাঁসখালি থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, কয়েকমাস আগে এই বাংলাদেশি নাগরিকরা ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছিল। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, এমনটাই ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছিল পুলিশ।