দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫৯ জন। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয়েছে ১৫ জঙ্গিও। তারমধ্যেই রয়েছে এই ধারাবাহিক বিস্ফোরণের মূল চক্রীর বাবা মহম্মদ হাসিম ও দুই ভাই জাহনি হাসিম, রিলওয়ান হাসিম। কিন্তু শ্রীলঙ্কা প্রশাসনের তরফে খবর, এখনও বিপন্মুক্ত নয় এই দেশ। ফের ধারাবাহিক হামলা হতে পারে সেখানে। তাও আবার সেনাবাহিনীর পোশাকে।
সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, শ্রীলঙ্কার গোয়েন্দা বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, ‘ফের ধারাবাহিক বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে সেখানে। খবর পাওয়া যাচ্ছে যে সেনার পোশাক পরে ও ভ্যানে করে এই আক্রমণ ঘটাতে পারে জঙ্গিরা।’ গোয়েন্দা সংস্থার তরফে একটি সিলবন্ধ খামে করে সবটা জানানো হয়েছে প্রশাসনের কর্তাদের।
জানা গিয়েছে, গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, এই রবিবারও হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। আর সে জন্যই গোপন ডেরায় আশ্রয় নিয়েছিল ওই ১৫ জঙ্গি। কিন্তু সময়মতো খবর পেয়ে হানা দেয় নিরাপত্তারক্ষীরা। ফলে জঙ্গিদের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এই এনকাউন্টারের পরেই জঙ্গিদের ডেরা থেকে সেনার পোশাক ও ভ্যান উদ্ধার হয়েছে। তারপরেই গোয়েন্দাদের সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মূল দুটি জঙ্গি গোষ্ঠী এই আক্রমণের পিছনে থাকতে পারে। একটি হলো ন্যাশনাল তৌহিত জামাত ও অন্যটি জাম্মিয়াথুল মিল্লাথু ইব্রাহিম। এই দুই সংগঠনের জঙ্গিরা এখনও শ্রীলঙ্কায় লুকিয়ে আছে বলে খবর। রবিবারই প্রথম কারফিউ তোলা হয়েছে কলম্বোয়। কিন্তু তারপরেও সেখানকার একাধিক হোটেলে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেইসঙ্গে রাস্তাঘাটেও চলছে তল্লাশি। ইতিমধ্যেই হিজাব, বোরখা পরার উপর নিষেধাজ্ঞা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়াও সন্দেহজনক কিছু দেখলেই পুলিশকে খবর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে। সব ধরণের নাশকতা আটকাতে তৎপর শ্রীলঙ্কা প্রশাসন।
আরও পড়ুন
https://www.four.suk.1wp.in/news-state-narendra-modi-claims-40-tmc-mlas-are-in-contact-with-him/