দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবার আগে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছিল চিনে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগেই চিনে তা মহামারীর আকার নিয়েছিল। সবার আগে চিনেই আবার কমেছে এই ভাইরাসের প্রকোপ। বেজিংয়ের দাবি, এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে তারা। কিন্তু কী ভাবে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে চিন। কী কী সতর্কতা নিয়েছিল তারা। সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত টাইমলাইন প্রকাশ করা হল চিনের তরফে।
ন্যাশনাল হেলথ কমিশন, বিভিন্ন সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউশন ও সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই টাইমলাইনে দেখানো হয়েছে, কী ভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে চিন। এই সংক্রান্ত তথ্য অন্যান্য দেশের সঙ্গে কতটা শেয়ার করেছে চিন, সেই কথাও লেখা রয়েছে এই টাইমলাইনে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে এই টাইমলাইনে।
এই টাইমলাইনে বলা হয়েছে ১৯৪৯ সালে পিপলস রিপাবলিক অফ চিন হওয়ার পর থেকে এই প্রথম এত বড় মাপের ভাইরাস এই দেশে হানা দিয়েছে। সবথেকে দ্রুত এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। ফলে তা দেশের মানুষ ও অর্থনীতির উপর বিরাট প্রভাব ফেলেছে বলেও জানানো হয়েছে।
করোনা মোকাবিলায় গোটা দেশ একসঙ্গে লড়াই করেছে বলে জানানো হয়েছে এই টাইমলাইনে। কী ভাবে ক্রমাগত বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও কড়া পদক্ষেপ নিয়ে করোনা সংক্রমণ কমানো হয়েছে ও ধীরে ধীরে দেশের অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে সেই সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে এখানে। গোটা বিশ্বেও কী ভাবে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে সেই তথ্যও রয়েছে এখানে।
এর আগে আমেরিকা ও অন্য কিছু দেশ বারবার অভিযোগ করেছে, করোনা সংক্রান্ত তথ্য অন্য দেশকে জানায়নি চিন। ফলে অন্য দেশের পক্ষে করোনা মোকাবিলায় সমস্যা হয়েছে। কিন্তু চিনের তরফে বারবার সেই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। কয়েক দিন আগেই বেজিংয়ের তরফে জানানো হয়েছে ভারত-সহ এশিয়ার একাধিক দেশের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে অনেক তথ্য দিয়েছে তারা। ভবিষ্যতেও এই কাজ তারা চালিয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে চিনের তরফে।