
শেষ আপডেট: 17 June 2020 02:34
শিনফাদি বাজার থেকে গত পাঁচদিন ধরে নতুন করে সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারের রিপোর্ট অনুযায়ী তা পৌঁছে গিয়েছে ১০৬-এ। মিউনিসিপ্যাল পার্টি কমিটির প্রোপাগান্ডা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপমন্ত্রীও বেজিংয়ের মহামারী পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করেছেন। ফলে নতুন করে সংক্রমণ ফিরে আসার ঘটনায় শি চিনপিং প্রশাসন যে উদ্বিগ্ন তা নিয়ে কোনও লুকোছাপা নেই। বরং বেজিং শহর প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, এই উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেখছে প্রশাসন।
এর আগে চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তরফে বেজিংয়ের ২৭ জন-সহ সারা চিনে ৪৬ জন নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। বিভিন্ন বসতি এলাকায় নমুনা পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। নতুন করে শুরু হয়েছে লকডাউনও। নতুন করোনা ক্লাস্টার নিয়ে তাই প্রতি মিনিটের উপর নজর রাখছে বেজিং।
বেজিং ছাড়াও কোভিড সংক্রামিতর হদিশ মিলেছে হেবেই ও সিনচুয়ান প্রদেশ থেকেও। ফলে কোনও একটি নির্দিষ্ট এলাকায় যে সংক্রমণ আটকে রয়েছে তা নয়। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা উপসর্গহীন অনেককে হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মহামারী বিশেষজ্ঞ উ জুনইউ সক্ষাৎকারে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র পিপলস ডেইলিকে বলেছেন, "পরিস্থিতি ক্রমশ গুরুতর হচ্ছে।"
২১টি রেসিডেন্সিয়াল এস্টেটে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি পাইকারি বাজার। সংক্রামিতের সংখ্যা শূন্য হয়ে যাওয়ার পরও চিনের এই নতুন করোনা ক্লাস্টার নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-ও। চিনের থেকে প্রতি মুহূর্তের আপডেট চেয়েছে হু। এর আগে চিনের সরকার জানিয়েছিল মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩ হাজার ২২১ জন। মৃত্যু হয়েছে চার হাজার ৬৩৪ জনের।