পরিশ্রমের চাপে মারা গেল 'লক্ষ্মী' হাতি, তার মাংসে পিকনিকে মাতল গোটা গ্রাম!
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মারা গিয়েছিল হাতি। আর তাই দিয়েই পিকনিক সারল মিজ়োরামের এক গ্রামের বাসিন্দারা। এমনকী সেই পিকনিকে দেদার ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় গ্রামবাসীরা। সেই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হতেই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে সম
শেষ আপডেট: 20 July 2019 10:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মারা গিয়েছিল হাতি। আর তাই দিয়েই পিকনিক সারল মিজ়োরামের এক গ্রামের বাসিন্দারা। এমনকী সেই পিকনিকে দেদার ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় গ্রামবাসীরা। সেই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হতেই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। এই ঘটনার পরেও চুপ রাজ্যের বন দফতর।
জানা গিয়েছে, অসমের কাছাড় জেলার এক ব্যক্তির কাছ থেকে এই হাতি ভাড়া করে নিয়ে যান মিজোরামের এক কাঠের ব্যবসায়ী। সেই হাতির নাম ছিল লক্ষ্মী। মোটা কাঠের লগ টানার কাজ করতো লক্ষ্মী। কয়েক দিন আগে এই লক্ষ্মী মারা যায়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অতি পরিশ্রমেই মারা গিয়েছে সে। আর তার পরেই তার মাংস দিয়ে শুরু হয় পিকনিক।

বেঙ্গালুরুর এক বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তত্ত্বাবধায়ক সুপর্ণা গাঙ্গুলি এই ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। হাতিদের দুরবস্থা নিয়ে ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশনও দাখিল করেছিলেন সুপর্ণা।
তাঁর বক্তব্য ছিল, এই হাতিদের মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রমে বাধ্য করা হচ্ছে। যে কারণে তাদের মৃত্যু হচ্ছে। ৪৭ বছর বয়সী হাতি লক্ষ্মীর মৃত্যুও মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে হয়েছে বলে দাবি সুপর্ণার। মিজোরামের ওই গ্রামের বাসিন্দাদের থেকে তিনি এ কথা জানতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন।
তবে এত সমালোচনার পরেও চুপচাপ বসে রাজ্যের বন দফতর। সূত্রের খবর হাতি আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে দুই রাজ্যের বনবিভাগের আধিকারিকদের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু লক্ষ্মীকে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা হয়নি। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর অবশ্য বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এ ব্যাপারে তাঁরা তদন্ত শুরু করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন…
https://www.four.suk.1wp.in/after-mizoram-nagaland-villagers-killed-and-feast-on-elephant-meat/