দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার সকালে বিধ্বংসী আগুন লাগে দিল্লির কাছে ফরিদাবাদের একটি কনভেন্ট স্কুলে। এই আগুনে পুড়ে মারা গিয়েছে দুই পড়ুয়া সহ তিন জন।
জানা গিয়েছে, ফরিদাবাদের ডাবুয়া কলোনিতে রয়েছে এই কনভেন্ট স্কুল। স্কুলের নীচে একটি কাপড়ের দোকান ছিল। সেখানেও আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকল। এসে পৌঁছয় পুলিশও। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, আগুনে পুড়ে দুই পড়ুয়া সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। দমকল কাজ করছে। আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও জানা যায়নি।
জানা গিয়েছে, এই কাপড়ের দোকানেই প্রথম আগুন লাগে। দোকানে প্রচুর দাহ্যবস্তু থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় স্কুলের ভিতরে দুই পড়ুয়া ও এক শিক্ষিকা ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা স্কুলের টিনের ছাদ ভেঙে তিনজনকেই বের করে নিয়ে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে তারা অনেকটাই পুড়ে গিয়েছে। হাসপাতালেই তাদের মৃত্যু হয়। তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে দুই স্থানীয় বাসিন্দাও কিছুটা পুড়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনা মনে করিয়ে দিল কয়েক দিন আগে গুজরাতের সুরাটের ছবি। সেখানে একটি কোচিং সেন্টারে আগুন লেগে ২২ পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। কেউ আগুনে পুড়ে, কেউ প্রাণ বাঁচাতে লাফ মেরে মারা যায়। যদিও ছুটির দিন থাকায় এ দিন ফরিদাবাদের এই স্কুলে পড়ুয়া কম থাকায় বড় রকমের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই ধরণের ঘটনা বারবার প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে বিভিন্ন স্কুল-কোচিং ক্লাসের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার দিকে। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১৭ হাজার মানুষ আগুনে পুড়ে মারা গিয়েছেন। ভারতবর্ষে দুত্তঘটনায় মৃত্যুর সিংহভাগই আগুনে পুড়ে। কিন্তু তারপরেও বেশিরভাগ স্কুল-কলেজ-কোচিং সেন্টারের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা তথৈবচ। এই নিয়ে প্রশাসনেরও কোনও উত্তাপ নেই।