দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে রবিবার জনতা কার্ফু পালনের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশজুড়ে কার্যত এই ডাকের ব্যাপক প্রভাব পড়লেও কেউ কেউ তার মধ্যেই রাস্তায় বেরিয়েছেন। আর সেইসব মানুষদের বোঝানোর জন্য এক অভিনব পদ্ধতি নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। তাদের গোলাপ দিয়ে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন পুলিশ কর্মীরা।
রবিবার সকাল থেকেই দিল্লিতে এই ছবিটা দেখা যায়। রাস্তায় যে কয়েক জন গাড়ি, বাইক নিয়ে অথবা হেঁটে বেরিয়েছেন তাঁরা দেখেন রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন পুলিশকর্মীরা। তাঁদের হাতে লাল গোলাপ। সেই গোলাপ পথচারীদের দিয়ে তাঁরা বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। সেইসঙ্গে বলছেন, পুলিশ রাস্তায় আছে। নিশ্চিন্তে সবাই বাড়িতে থাকুন।
একথা টুইট করেও জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সেই টুইটে লেখা হয়েছে, “বাড়িতে থাকুন। আমরা আপনাদের সুরক্ষার জন্য রাস্তায় আছি। দয়া করে বাড়িতে থাকুন। যাঁরা বাইরে বেরিয়েছেন তাঁদের গোলাপ দিয়ে আমাদের পুলিশকর্মীরা সেই বার্তা দিচ্ছেন। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।”
https://twitter.com/DCPNewDelhi/status/1241560158452367361?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1241560158452367361&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Fdelhi-news%2Fjanata-curfew-coronavirus-delhi-police-hand-out-roses-amid-janata-curfew-2198710
শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল, রবিবার জনতা কার্ফুর মধ্যে কেউ বাড়ি থেকে বেরলে তাঁকে ১১ হাজার টাকা ফাইন করবে দিল্লি পুলিশ। সেই খবর যে ভুয়ো তাও জানিয়েছে তারা। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, “আমরা এই ভুয়ো খবর দেখেছি। আমরা ২২ মার্চ রাস্তায় বেরলে ফাইন করা হবে এরকম কোনও নির্দেশ দিইনি। তাই সবাইকে বলে দেবেন এই খবরটা ভুয়ো।”
https://twitter.com/DCPSouthDelhi/status/1241281721229643776?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1241281721229643776&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Fdelhi-news%2Fjanata-curfew-coronavirus-delhi-police-hand-out-roses-amid-janata-curfew-2198710
আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রবিবার দিল্লিতে মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকবে। গত ১৮ বছরে এই ঘটনা প্রথম ঘটল। এছাড়া রাজধানীর সব রেস্তোরাঁ, শপিং মল, স্কুল ৩১ মার্চ অবধি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার।
ইতিমধ্যেই দিল্লিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩৩ জন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। তাই এই পরিস্থিতিতে কোনও রকমের ঝুঁকি নিতে চাইছে না দিল্লি সরকার।