দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুম্বইয়ের বান্দ্রার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মঙ্গলবার সন্ধেবেলা ওই ঘটনা নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে ফোন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
এদিন উদ্ধবকে অমিত শাহ বলেন, "এই ধরনের ঘটনা করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় ভারতের লড়াইকে দুর্বল করে দেবে। তাই এই ধরনের ঘটনাকে এড়াতে প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে।" প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকার সহযোগিতা করবে বলেও জানান শাহ। কিন্তু কোনওভাবেই যেন লকডাউন না ভাঙা হয় সে ব্যাপারে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।
সকালবেলা জাতির উদ্দেশে বক্তৃতা দিয়ে লকডাউন ৩ মে পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার কয়েক ঘণ্টা পরই মুম্বইয়ের বান্দ্রায় হাজারো শ্রমিক.রাস্তায় নেমে পড়েন। যা গত মাসের দিল্লির আনন্দবিহার বাস টার্মিনালের স্মৃতি উস্কে দিয়েছে।
গোটা ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা গিয়েছে প্রায় হাজারখানেক শ্রমিক এদিন জমা হয়েছিলেন মুম্বইয়ের বান্দ্রা স্টেশনের বাইরে। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের সকলেই ভিনরাজ্যের শ্রমিক। প্রতিবাদীদের অভিযোগ, তিন সপ্তাহের লকডাউনের জেরে ইতিমধ্যেই কাজ হারিয়েছেন প্রায় সকলেই। সরকারের তরফে দু’বেলা খাবার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও অনেকেই ঠিকমত খাবার পাননি। তার মধ্যে ফের বেড়েছে লকডাউনের মেয়াদ। আর তাতেই ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে পড়েন।
মহারাষ্ট্রে এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত ২৩৩৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৬০ জনের। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রামিত মহারাষ্ট্রেই। সংক্রমণ যখন এই মাত্রায় তখন রাস্তায় হাজার শ্রমিকের বিক্ষোভ প্রশাসনের মধ্যেও উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে।
যদিও এই ঘটনার জন্য কেন্দ্রকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন উদ্ধব ঠাকরের ছেলে তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী আদিত্য ঠাকরে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে বলেও জানান তিনি।