থমথমে তিনসুকিয়ায় ডেরেকরা জানালেন, 'পাশে আছেন দিদি'
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সকালের বিমানেই দমদম থেকে ডিব্রুগড়ের দিকে রওনা দিয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। বেলা সওয়া দশটা নাগাদ নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বাংলার শাসক দলের সাংসদ-বিধায়কদের দল। জানিয়ে দিলেন, ‘পাশে আছেন দিদি।’
অসমের তিনসুকিয়া
শেষ আপডেট: 4 November 2018 05:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সকালের বিমানেই দমদম থেকে ডিব্রুগড়ের দিকে রওনা দিয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। বেলা সওয়া দশটা নাগাদ নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বাংলার শাসক দলের সাংসদ-বিধায়কদের দল। জানিয়ে দিলেন, ‘পাশে আছেন দিদি।’
অসমের তিনসুকিয়ার ঢোলা খেরবাড়িতে পাঁচ বাঙালি খুনের পর থেকেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডাক দিয়েছিলেন প্রতিবাদে পথে নামার। শুক্রবার গোটা রাজ্যে রাস্তায় নেমেছিল তৃণমূল। সেদিনই তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল মমতার নির্দেশে অসমে যাবে প্রতিনিধিদল। এ দিন চার জনের দল পৌঁছোয় তিনসুকিয়ায়। ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মমতাবালা ঠাকুর, নাদিমুল হক এবং মহুয়া মৈত্র। নিহতদের পরিবারের হাতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় আর্থিক সাহায্যও।
আরও পড়ুন- সর্দার বল্লবভাই পটেলের থেকেও উঁচু হওয়া উচিত ভগবান রামের মূর্তি : সমাজবাদী পার্টি নেতা আজম খান
এ দিনও তিনসুকিয়ার পরিস্থিতি থমথমে। চলছে সেনা এবং পুলিশের টহল। ইতিমধ্যেই ধরপাকড় শুরু হয়েছে এই ঘটনায়। এখনও পর্যন্ত তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা সকলেই আলফা-র পরেশ বড়ুয়া গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি পুলিশের।
জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকরণের সময় গত ২ অগস্ট শিলচরে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু সে বার অসম সরকার বিমান বন্দরের বাইরে পা-ই রাখতে দেয়নি ফিরহাদ হাকিম, সুখেন্দুশেখর রায়দের।
আরও পড়ুন: সোমবার ফের খুলছে শবরীমালার দরজা, নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন ১,৫০০ পুলিশ
এ বার অবশ্য তসেরকম কিছু হয়নি। তিনসুকিয়ায় গিয়ে নির্ধারিত কর্মসূচি সারতে পেরেছে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। বিজেপি সরকার বাধা দেয়নি তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে। বাধা দিলেই তৃণমূল আরও জোর গলায় বলতে পারত বিজেপি বাঙালি বিরোধী। অনেকের মতে, আগের বার বাধা দিয়ে লাভের থেকে ক্ষতিই হয়েছিল বিজেপি-র। ওখানে গিয়ে তৃণমূল সভা করলে খুব একটা কেউ দেখতও না! জানতেও পারত না। কিন্তু বাধা দেওয়ায় তৃণমূল হইচই করার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল। তৃণমূলের তিনসুকিয়া সফর নিয়ে বিজেপি অবশ্য বলছে, এতে কোনও প্রভাবই পড়েনি রাজ্যের মানুষের মধ্যে। যদিও তৃণমূলের তরফে এ দিন ফের একবার অসমের বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে।