ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হলে, উপকূলবর্তী অঞ্চলে জলস্ফীতি এবং নদী-নালায় জল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 28 June 2025 16:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর বঙ্গোপসাগরে ফের তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তা ভারত ও বাংলাদেশ সংলগ্ন উপকূলে অবস্থান করছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আর এই ঘূর্ণাবর্তের জেরে রাজ্যে ফের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
আলিপুর বলছে, ওই ঘূর্ণাবর্ত থেকে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত হয়েছে। অক্ষরেখাটি গিয়ে পৌঁছেছে উত্তর ঝাড়খণ্ড ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর। এই কারণেই আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে আশঙ্কা।
রবিবার (৩০ জুন) থেকে মঙ্গলবার (২ জুলাই) পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মেঘলা থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে অধিকাংশ জেলায়। বইতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হালকা ঝোড়ো হাওয়া।
উপকূলবর্তী জেলা ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়াতে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই সোম ও মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শুধু বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া কিছুটা বাদ পড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের পাঁচ জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর। সেই সঙ্গে বইতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া।
ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হলে, উপকূলবর্তী অঞ্চলে জলস্ফীতি এবং নদী-নালায় জল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। উপকূল অঞ্চলের মৎস্যজীবীদের এই সময় সমুদ্রে না যাওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।