প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন মোট ১,৬০৪টি ক্যাম্প মিলিয়ে আবেদনকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৫০।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 16 February 2026 20:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাধ্যমিক পাশ (Madhyamik) তরুণ-তরুণীদের যদি ‘শিক্ষিত বেকার’ (Bekar Bhata) হিসেবেই ধরা হয়, তা হলে রাজ্যের কর্মসংস্থানের চিত্র কতটা আশাব্যঞ্জক— প্রশ্নটা সেখানেই। সেই প্রশ্নকেই যেন নতুন করে সামনে এনে দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) চালু করা ‘যুবসাথী’ প্রকল্প, যা সাধারণের কাছে বেকার ভাতা (Bekar Bhata Apply) নামেই বেশি পরিচিত।
রবিবার থেকে বেকার ভাতার (Yuba Saathi) জন্য নাম নথিভুক্তকরণ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাশ তরুণ-তরুণীরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদনপত্র জমা দিচ্ছেন। শুধু তাঁরাই নন— দ্য ওয়ালের (The Wall) ক্যামেরাতেই ধরা পড়েছে, সন্তানের হয়ে ফর্ম সংগ্রহ করতে হাজির হয়েছেন ষাটোর্ধ্ব বাবা।
এখন সবার নজর অন্য দিকে। শুরুর দিনেই সাড়া কতটা মিলল? প্রথম দিনের ‘স্ট্রাইক রেট’ কী বলছে পরিসংখ্যান? জেলা ভিত্তিক হিসাব করলে কোথায় কতজন বেকার যুবক-যুবতী ফর্ম তুললেন, আর কতজনই বা জমা দিলেন— সেই ছবিটাই এখন সবচেয়ে বেশি কৌতূহলের বিষয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন মোট ১,৬০৪টি ক্যাম্প মিলিয়ে আবেদনকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৫০। তার মধ্যে শুধু ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের জন্যই জমা পড়েছে ১৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৮৩৬টি আবেদন (রাত ৮টা পর্যন্ত)।
জেলা ভিত্তিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, সর্বাধিক আবেদন জমা পড়েছে মুর্শিদাবাদে। বিপরীতে, সবচেয়ে কম আবেদন এসেছে কালিম্পং জেলা থেকে। ফলে জেলার ভিত্তিতে আগ্রহের তারতম্য স্পষ্ট।
এ দিনই রাত ১২টা থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া চালু হয়। প্রশাসনের দাবি, সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত অনলাইনে জমা পড়েছে আরও ১ লক্ষ ২০ হাজার আবেদন। অর্থাৎ শিবিরের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও সাড়া মিলছে।
শুধু ‘যুবসাথী’ নয়, অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প নিয়েও আগ্রহ দেখা গিয়েছে। শিবিরে এসে প্রায় দু’লক্ষ মানুষ খেতমজুর ভাতা ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন।
এই পরিসংখ্যানের মতোই সোমবার বেলা ১২টা পর্যন্ত হিসাবও প্রথম সামনে এনেছিল দ্য ওয়াল। তখনও পর্যন্ত ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ লক্ষ। যার মধ্যে সোমবার সকাল থেকে বেলা ১২ টার মধ্যেই ৯১ হাজার ৫৮৭ জন আবেদন জমা দিয়েছিলেন। সোমবার দিনের শেষে সেই হিসেবটা সাড়ে ১৩ লক্ষের কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়াল।
এক নজরে জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান— (Bekar Bhara District wise Form submitted)