
শেষ আপডেট: 25 November 2019 14:15
সন্দেহ নেই, সোমবার সন্ধের পর থেকে বদলের আবহাওয়া মুম্বই জুড়ে। রাতারাতি পাশা বদলে দেওয়ার পরিবেশে যেমন হয়। উন্মাদনায় টগবগ করে ফুটছেন শিবসৈনিকরা। পতপত করে উঠছে তাঁদের গৈরিক পতাকা। ততটাই উত্তেজিত এনসিপি শিবির। অনেকদিন পর তাঁরা এতটা আগ্রাসী দেখছেন তাঁদের মারাঠা স্ট্রংম্যানকে। ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেও যে মানুষটা অবলীলায় বলে দিতে পারেন, ধৈর্য রাখো। এমন খেলা আমি অনেক দেখেছি। অনেক সামলেছি।
শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেসের জোট নিজেদের বলছে ‘মহারাষ্ট্র বিকাশ আগাড়ি’। শিবসেনার বক্তব্য, তারা রাজ্যপালের কাছে গিয়ে ৬৩ জন বিধায়কের তালিকা দিয়ে এসেছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন নির্দলও রয়েছেন। তাঁরা শিবসেনাকে সমর্থন করছেন। এছাড়া শিবসেনার জোটে আছেন কংগ্রেসের ৪৪ জন ও এনসিপির ৫১ জন বিধায়ক। সমাজবাদী পার্টির দুই বিধায়কও জোটকে সমর্থন করছেন।
এর আগে সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে বিরোধী তিন দল আবেদন জানিয়ে বলেছে, যেভাবে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করা হয়েছিল, তা অসাংবিধানিক। ওই আবেদনের ভিত্তিতে এদিন শীর্ষ আদালতে শুনানি হয় ৮০ মিনিট। রাজ্যপালের পক্ষে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারিকে জানান, ১৭০ জন বিধায়ক তাঁর পক্ষে আছেন। তখন তাঁকে সরকার গড়তে ডাকা হয়। অন্যদিকে শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেসের জোটের দাবি, তাদের পক্ষে আছেন ১৬২ জন বিধায়ক। তারা চায়, অবিলম্বে বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা হোক। কিন্তু যেহেতু শীর্ষ আদালত মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত জানাবে, তাই শক্তিপরীক্ষার আগে আরও সময় পাচ্ছে বিজেপি।
সব মিলিয়ে আরও জমে উঠেছে মুম্বইয়ের মহানাটক। কোনও থ্রিলারের টানটান চিত্রনাট্যের থেকে তা কোনও অংশে কম নয়।