বারুইপুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।

থানায় বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব।
শেষ আপডেট: 11 August 2025 14:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজনীতি না পারিবারিক অশান্তি? বারুইপুরে বিজেপির এক যুবনেতার মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য।
মৃত যুবকের নাম রাজীব বিশ্বাস (২২)। তিনি বারুইপুর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১২৯ নম্বর বুথের বিজেপি সভাপতি ছিলেন। দলীয় নেতৃত্বের অভিযোগ, ৮ অগস্ট রাতে রাজীবকে বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধর করে খুন করা হয়। অভিযোগের তির সরাসরি শাসক দল তৃণমূলের দিকে।
বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, বিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ‘অপরাধে’ ওই রাতে রাজীবকে ঘরে ঢুকে মারধর করে দুষ্কৃতীরা। তাঁর মাথায় প্রচণ্ডভাবে আঘাত করা হয়, ধারাল অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে কোপ মারা হয়। এরপর তাঁকে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায় অভিযুক্তেরা। ৯ অগস্ট সকালে রাজীবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বিজেপির বারুইপুর পশ্চিম ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি গৌতম চক্রবর্তীর অভিযোগ, “রাজীবকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। তাঁর বাবা নিতাই বিশ্বাস এবং ছোট ভাই সন্দ্বীপ বিশ্বাস, দু'জনেই তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। তাঁরাই এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। এই হত্যার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে।”এ ব্যাপারে থানাতেও অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
যদিও পুরো অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অর্চনা মল্লিক বলেন, “এই ঘটনায় তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। এটা পুরোপুরি পারিবারিক সমস্যা। বিজেপি রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা করছে।”
বারুইপুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বারুইপুর থানার এক আধিকারিক।