পরিবারের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদার সংস্থার অধীনে ভিনরাজ্যে কাজ করে আসছেন দীপু। এবার তিনি পুণেতে থেকে কাজ করছিলেন।

মৃত শ্রমিক
শেষ আপডেট: 31 July 2025 20:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুণেতে কাজ কাজ করতে গিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের (Migrant Worker)। মৃতের নাম দীপু দাস। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের বিন্নাগুড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের গোকুল ভিটা গ্রামের বাসিন্দা।
পরিবারের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদার সংস্থার অধীনে ভিনরাজ্যে কাজ করে আসছেন দীপু। এবার তিনি পুণেতে থেকে কাজ করছিলেন।
সোমবার দীপুর মায়ের মৃত্যু হয়। সেই খবর জানাবার জন্য ভাইয়েরা দাদাকে ফোন করে। কিন্তু ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ হয়নি। তখন তাঁরা ওই ঠিকাদার সংস্থায় ফোন করে দাদাকে মায়ের মৃত্যু সংবাদ জানাতে অনুরোধ করেন।
এরপর মঙ্গলবার রাতে ঠিকাদার সংস্থার পক্ষ থেকে পরিবারে ফোন করে বলা হয় দীপু দাস মারা গেছেন। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে তা জানতে চাইলে একেক সময় একেক কথা বলা হয় বলে অভিযোগ। যে কারণে সন্দেহ হয় পরিবারের।
মৃতের ভাই অপু দাস বলেন, "দাদার মৃতদেহের যেই ছবি পাঠানো হয় তা দেখে আঁতকে ওঠে আমাদের পরিবারের সদস্যরা। শরীরের বিভিন্ন যায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাই আমাদের সন্দেহ ছাদ থেকে পড়ে নয় অন্য কোনওভাবে মৃত্যু হয়েছে দাদার। আমরা সঠিক তদন্ত চাই। পুণে থেকে মৃতদেহ নিয়ে আসার মতো আমাদের আর্থিক সঙ্গতি নেই। তাই আমরা সরকারি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছি।"
স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু রায়ের কথায়, "ছবি দেখে মনে হচ্ছে দীপুকে কেউ মেরে ফেলেছে। এই অবস্থায় দীপুর দেহ আনতে কে যাবে, কারণ দিপুর মা মারা যাবার পর থেকেই পরিবারের লোকেরা সেই নিয়ে ব্যস্ত।"
বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সমিজউদ্দিন আহমেদ জানান, "পরিবারকে সব রকম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে।" রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, "আমি শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। উনি পরিবারকে লিখিত অভিযোগ জানাতে বলেছেন। এটা কি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি বাঙালি বলেই তাকে পিটিয়ে খুন। তা নিয়ে সঠিক তদন্ত চাই।"