দলীয় নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে তাতাতে মিঠুনের বক্তব্য - আমরা জিতলে আপনারা জিতবেন আর আপনারা জিতলেই আমাদের জয় হবে। এই প্রসঙ্গে ভোট সংক্রান্ত হিংসার মোকাবিলা কী করে করতে হবে তার পাঠও পড়ান তিনি।

মিঠুন চক্রবর্তী
শেষ আপডেট: 6 November 2025 23:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কারও সঙ্গে কারও মনোমালিন্য থাকলে তা এখনই মিটিয়ে নিন। অন্তত ভোট পর্যন্ত ভাল সম্পর্ক বজায় রাখুন - বিজেপি কর্মীদের (BJP Workers) এই বার্তাই দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। তাঁর সাফ কথা, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বাংলায় বিজেপিকে (BJP) জিততেই হবে।
বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, ''সকলকে এক ছাতার নীচে এসে ভোট করতে হবে। তাহলেই আমরা জিতব। মনে রাখতে হবে, ২০২৬ সালে না জিতলে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না। তাই একজোট হয়ে ভোট দিতেই হবে।'' তাঁর সংযোজন, কারও যদি কোনও বিষয়ে খারাপ লেগে থাকে তাহলে এখনই হাত মিলিয়ে, গলা জড়িয়ে সব ঠিক করে নিন।
দলীয় নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে তাতাতে মিঠুনের বক্তব্য - আমরা জিতলে আপনারা জিতবেন আর আপনারা জিতলেই আমাদের জয় হবে। এই প্রসঙ্গে ভোট সংক্রান্ত হিংসার মোকাবিলা কী করে করতে হবে তার পাঠও পড়ান তিনি। স্পষ্ট বার্তা, ''এক গালে থাপ্পড় মারলে অন্য গাল বাড়াবেন না। তবে কী করতে হবে ভাল করে সবাই বুঝেছেন, আমি মুখে কিছু বলব না।''
রাজ্যজুড়ে (West Bengal) এখন এসআইআর (SIR) চলছে। তবে বিগত কয়েকদিনে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুতে সরব হয়েছে তৃণমূল (TMC)। তাঁদের দাবি, এসআইআরের জন্যই মানুষ মারা যাচ্ছে। বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্বাচন কমিশন (ECI) আদতে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। যদিও এই দাবি বা অভিযোগকে গুরুত্ব দেয়নি কোনও পক্ষই। উল্টে বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, কেউ মারা গেলেই এসআইআর বলে দেওয়া হচ্ছে। মিঠুনও একই সুরে বিঁধলেন তৃণমূলকে।
বিজেপি সমর্থকদের টি এম সি-র 'আসল' অর্থ বোঝালেন তিনি। বললেন, ''এটা আদতে টেরর ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি। এঁরা সন্ত্রাস ছড়ায়। এখন যাই হচ্ছে, কেউ মারা গেলেই বলছে এসআইআর। আসলে এঁরা ভয় পেয়েছে। তাই যা করার তাই করছে।'' মিঠুন মনে করছেন, তৃণমূল নিজে এসআইআর নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দিতে চায়।
তাঁর স্পষ্ট কথা, ভারতের ভোটার তালিকায় অ-ভারতীয়দের কোনও স্থান নেই। এসআইআরের মাধ্যমে সেটাই হচ্ছে। আর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে তাঁর মন্তব্য - বিজেপি বলেনি তাঁরা ভারতীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে। কিন্তু মুসলমানরাই আমাদের ভোট দেয় না। এটাও দেখতে হবে।